Wednesday, April 30, 2025

আইএমএফ পদ্ধতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

ঢাকা, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পদ্ধতি অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত রিজার্ভ ২২ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার (২,২০৪.৭৮ কোটি ডলার) ছাড়িয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, যেখানে ৫৩৬ কোটি ডলার বাদ দেওয়া হয়, রিজার্ভের পরিমাণ বর্তমানে ২৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার (২,৭৪১ কোটি ডলার)।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার (৩০ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “রিজার্ভ সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। আইএমএফের ঋণপ্রাপ্তির অন্যতম শর্ত ছিল জুনের মধ্যে নিট রিজার্ভ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় থাকা। আমরা আশা করছি, জুনের মধ্যে সংস্থাটির শর্ত পূরণ করতে পারব।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আইএমএফের ঋণের শর্ত পূরণের জন্য নিট রিজার্ভ বর্তমানে ১৭ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে, যা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে। আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী জুনে নিট রিজার্ভ ১৭ বিলিয়ন ডলারের কিছুটা বেশি হতে হবে।
ইতিহাসে বাংলাদেশের রিজার্ভ ২০২২ সালের আগস্টে সর্বোচ্চ ৪৮ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। তবে, এরপর থেকে প্রতি মাসে কমতে-কমতে গত জুলাইয়ে সরকার পতনের আগে তা ২০ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। সরকার পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে আর কোনো ডলার বিক্রি করেনি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া ৩৭০ কোটি ডলারের মেয়াদোত্তীর্ণ বকেয়া বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে। নতুন করে বকেয়া রাখার সুযোগ না দেওয়ায়, বিদেশি ঋণের সুদ যোগ হওয়া সত্ত্বেও গত তিন মাসে বৈদেশিক ঋণ প্রায় ৭৪ কোটি ডলার কমে গত ডিসেম্বরে ১০,৩৬৪ কোটি ডলারে নেমেছে। রিজার্ভ বৃদ্ধির মূল কারণ রপ্তানিতে ২৮ শতাংশ এবং প্রবাসী আয়ে ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।

এ.আই/এম.আর

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.