Monday, June 23, 2025

বাংলাদেশের ১৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি

ঢাকা, ২৩ জুন, ২০২৫: দেশের ৮টি বিভাগের ৬২টি জেলার নির্বাচিত ১৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচি’ শুরু হতে যাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হালনাগাদ ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে।

রোববার (২২ জুন) প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, এই কর্মসূচির আওতাভুক্ত সকল বিদ্যালয়কে নির্ধারিত ছকে শিক্ষার্থী ও জেলা/উপজেলা কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহ করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে জমা দিতে হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের (কক্সবাজার ও বান্দরবান ব্যতীত) তথ্য ইমেইলে (infogpsfp@dpe.gov.bd) পিডিএফ ও এমএস এক্সেল ফরমেটে (নিকোশবেন ফন্টে) এবং হার্ড কপি আকারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। দেশের ৬২টি জেলার ১৫০টি উপজেলাকে এই প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে ভৌগোলিক ও অন্যান্য কারণে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলা এর বাইরে রয়েছে। প্রকল্প পরিচালক, উপপ্রকল্প পরিচালক এবং সহকারী প্রকল্প পরিচালক তথ্য প্রেরণের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রাথমিক শিক্ষায় একটি যুগান্তকারী সামাজিক উদ্যোগ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো শিশুদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, শিক্ষায় মনোযোগ বাড়ানো এবং বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের শিশুদের অপুষ্টির ঝুঁকি কমানো। পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে এবং অভিভাবকদের মধ্যে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর আগ্রহ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগটি দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এ.আই/এম.আর

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.