গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, হাসপাতালের জরুরি বিভাগগুলোতে চরম অনাহারে মৃত্যুর মুখে থাকা মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে, যা এর আগে কখনো দেখা যায়নি। কর্মকর্তারা জানান, গাজায় প্রায় ১৭ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে।
ইসরায়েল ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য গাজায় ত্রাণ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে এবং ত্রাণের সন্ধানে বের হওয়া মানুষের ওপর গুলি চালাচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–সমর্থিত একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রকে ‘মৃত্যুকূপ’ হিসেবে বর্ণনা করছে। গত মে মাসের শেষ থেকে জিএইচএফ ত্রাণ বিতরণ শুরু করার পর থেকে এর কেন্দ্রে ত্রাণ নিতে যাওয়া প্রায় ৯০০ ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি বাহিনী ও জিএইচএফের ভাড়াটে সেনাদের গুলিতে নিহত হয়েছেন।
জিএইচএফ গাজায় চারটি ত্রাণকেন্দ্র পরিচালনা করছে, যা এর আগে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দাতব্য সংস্থার অধীনে পরিচালিত প্রায় ৪০০ কেন্দ্রের স্থলাভিষিক্ত করেছে। এই কেন্দ্রগুলো এখন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।