এসোয়েভ বলেন, খানফার জেলার সমুদ্র উপকূলে ৫৪ জনের লাশ ভেসে আসে এবং অন্য একটি স্থানে ১৪ জনের লাশ পাওয়া যায়, যেগুলো হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, দুর্ঘটনায় ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জানজিবারের স্বাস্থ্য দফতরের পরিচালক আবদুল কাদির বাজামিল জানান, নিহতদের দাফনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে শহর শাকরার নিকটে। তবে কঠিন পরিবেশে অনুসন্ধান কার্যক্রম এখনো চলছে।
আফ্রিকার শৃঙ্গ অঞ্চল ও ইয়েমেনের মধ্যবর্তী নৌপথটি দীর্ঘদিন ধরে শরণার্থী ও অভিবাসীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে পরিচিত। ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরুর পর এই পথে দেশ ছাড়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিলে হাউছি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও দেশটির মানবিক সঙ্কট এখনো কাটেনি।
সোমালিয়া ও ইথিওপিয়ার মতো আফ্রিকান দেশগুলো থেকে অনেকে সংঘাত থেকে পালিয়ে ইয়েমেনে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করেন, আবার কেউ উপসাগরীয় উন্নত দেশগুলোর উদ্দেশে যাত্রা করেন। আইওএম-এর মতে, এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনপথ। শরণার্থীরা প্রায়ই অতিরিক্ত ভিড় ও অনিরাপদ নৌকায় লাল সাগর বা অ্যাডেন উপসাগর পাড়ি দেন।
আইওএম-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ইয়েমেনে ৬০ হাজারের বেশি শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশী পৌঁছেছেন, যা আগের বছরের ৯৭,২০০ জনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।