রাজধানীর বিজয় সরণির কলমিলতা বাজার এবং মিরপুর ভাষানটেক বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নের দাবিতে সোমবার (১১ আগস্ট ২০২৫) দুপুর ১২টায় সচিবালয়ের গেটে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করবে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও বস্তিবাসীরা।
রোববার (১০ আগস্ট ২০২৫) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘আমরা বস্তি পুনর্বাসন ও শহীদ পরিবারের ক্ষতিপূরণ আদায় সংগ্রাম পরিষদ’-এর ব্যানারে চলমান অবস্থান কর্মসূচি থেকে এই প্রতীকী অনশনের ঘোষণা দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আব্দুল কাদেরের সন্তান মো. আব্দুল কাদের। এ সময় বস্তিবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আব্দুর রহিম বলেন, আমরা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হলেও রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস ও অরাজকতার কারণে দুটি বিষয়ে ভুক্তভোগী। একটি হলো বিজয় সরণির কলমিলতা বাজার, যা সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যোগসাজশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জবরদখল করে রেখেছে। অপরটি হলো মিরপুর ভাষানটেক বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্প, যা সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, কর্নেল (অব.) ফারুক খান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই দুটি বিষয়ের সমাধানের জন্য আইনি পদক্ষেপসহ দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও কোনো সমাধান পাইনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরও এই দুটি বিষয়ের সমাধান হয়নি। আমরা প্রধান উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের কাছে বারবার এই দুটি প্রকল্পের সমাধান চেয়েও কোনো ফল পাইনি। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের আইজিপি বরাবর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ভূমি মন্ত্রণালয় সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে এবং তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়।
তিনি বলেন, সাত মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো অগ্রগতি নেই, প্রতিবেদন দাখিল হয়নি, বস্তিবাসীদের ভাগ্যেরও পরিবর্তন হয়নি। এ অবস্থায় রাজপথে আন্দোলন করা ছাড়া আমাদের কাছে আর কোনো পথ নেই। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব, প্রয়োজনে জীবন দেব, তবু পিছপা হব না।
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.