Sunday, August 3, 2025

ভৈরব থানা পুলিশের হাতে ছিনতাইকারী সন্দেহে ২২ জন গ্রেপ্তার, জনতার বিক্ষোভের পর পদক্ষেপ

ভৈরব, কিশোরগঞ্জ, ৩ আগস্ট ২০২৫ – চুরি-ছিনতাইয়ে অতিষ্ঠ কিশোরগঞ্জের ভৈরববাসী গতকাল শনিবার পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে এক ভিন্নধর্মী বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। স্থানীয় কয়েক শ জনতা শাড়ি ও চুড়ি নিয়ে ভৈরব থানায় যান, পুলিশের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে। এই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২২ জনকে আটক করা হয়। রোববার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন— মো. হেলাল (২৫), রায়হান উদ্দিন (২০), সবুজ মিয়া (২৩), মো. নাঈম (২৩), আরাফাত মিয়া (৩৩), ওসমান মিয়া (১৮), সোহেল মিয়া (২৮), ফুল মিয়া (৩৬), মো. হৃদয় (২৫), রনি মিয়া (৩২), বিল্লাল মিয়া (২০), সানি মিয়া (৩৩), মো. বিজয় (২৮), সুমন (২০), মাহিন মিয়া (২১), নামিন উদ্দিন (২০), মনির হোসেন (২৮), ফরহাদ মিয়া (২৫), মো. আকাশ (৩২), গোলাম মোস্তফা (৪২), জনি মিয়া (২৬) ও দুলাল (৪৫)।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ফুহাদ রুহানির সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “ছিনতাই যেমন হচ্ছে, তেমনি ধরাও হচ্ছে। সমস্যা হলো, ছিনতাইকারীদের বেশি দিন জেলে আটকে রাখা যাচ্ছে না। ফলে আমাদের কষ্টের ফল পাওয়া যাচ্ছে না। ছিনতাই প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।” ভৈরবে ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা সামাজিক আন্দোলনের উদ্যোক্তাদের একজন আজহারুল ইসলাম। পুলিশের তৎপরতা দেখে তিনি বলেন, “চাইলে সব সম্ভব।” শনিবার বিকেলে বিক্ষুব্ধ জনতা ছিনতাইমুক্ত ভৈরবের দাবিতে বিক্ষোভ করে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে শাড়ি-চুড়ি নিয়ে থানায় যায়। তারা ওসি খন্দকার ফুয়াদ রুহানীকে ভৈরবকে ছিনতাইমুক্ত করতে তিন দিনের সময়সীমা দেয়। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সময়সীমার প্রথম দিন রোববার ভৈরবে কোনো ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয়রা জানান, প্রত্যাশিত ফল না পেলে তারা আবার থানা ঘেরাও করবেন। বিষয়টি নজরে আনা হলে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শবনম শারমিন বলেন, “ছিনতাই প্রতিরোধে পৌরসভার পক্ষ থেকে ভৈরবের প্রধান সড়ক সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। ছিনতাই প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.