গাজা, ৬ আগস্ট ২০২৫: মঙ্গলবার গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিবর্ষণ এবং বিমান হামলায় কমপক্ষে ৬৮ জন নিহত এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫৬ জন যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে খাদ্য সহায়তা সংগ্রহের জন্য অপেক্ষা করছিলেন বলে জানিয়েছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা। এই তথ্য বার্তা সংস্থা এএফপি থেকে পাওয়া গেছে।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানিয়েছেন, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ইসরাইলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে, যাতে ৩০ জন নিহত হয়েছেন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণে মোরাগ করিডোরে একদল লোক তাদের দিকে এগিয়ে আসার সময় সেনারা ‘সতর্কীকরণমূলক গুলি’ চালিয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, এই গুলির ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কিনা তা তাদের জানা নেই।
বাসাল জানান, উত্তর গাজার জিকিম সীমান্ত ক্রসিংয়ের কাছে ইসরাইলি গুলিবর্ষণে ২০ জন নিহত এবং ১০০ জন আহত হয়েছেন। এই সীমান্ত দিয়ে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কিছু ত্রাণ ট্রাক প্রবেশ করেছে। এএফপির একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন, উত্তর গাজার হামাদ হাসপাতালে কমপক্ষে এক ডজন লাশ আনা হয়েছে। একটি মেডিক্যাল সূত্র জানিয়েছে, জিকিমের কাছে এই ঘটনায় নিহতদের মৃত্যু হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ঘটনার বিস্তারিত খতিয়ে দেখছে।
মধ্য গাজায় একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে খাবারের জন্য অপেক্ষারত ছয়জন ইসরাইলি গুলিতে নিহত এবং ২১ জন আহত হয়েছেন বলে বাসাল জানান। তবে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী মঙ্গলবার মধ্য গাজার কোনো সাহায্য কেন্দ্রের কাছে গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করেছে।
গাজায় গণমাধ্যমের ওপর বিধিনিষেধ এবং অনেক এলাকায় প্রবেশাধিকারে অসুবিধার কারণে এএফপি স্বাধীনভাবে নিহতের সংখ্যা এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা ও অন্যান্য পক্ষের দেয়া বিবরণ যাচাই করতে পারেনি।
প্রতিদিন হাজার হাজার গাজাবাসী খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের কাছে জড়ো হন, যার মধ্যে চারটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল-সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) দ্বারা পরিচালিত। মে মাসের শেষের দিকে জিএইচএফ তার কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে, ত্রাণ সংগ্রহের জন্য অপেক্ষারতদের ওপর ইসরাইলি বাহিনীর গুলিবর্ষণের খবর প্রায় প্রতিদিনই পাওয়া যাচ্ছে।
প্রায় ২২ মাস আগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞার কারণে গাজায় খাদ্য ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ওষুধ ও জ্বালানি, যা হাসপাতালগুলোর জেনারেটর চালানোর জন্য অপরিহার্য।
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.