Tuesday, August 12, 2025

ধোনির ১০০ কোটি রুপি মানহানির মামলার বিচার শুরুর নির্দেশ আদালতের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেও এখনো আইপিএলে খেলছেন ধোনি। ছবি: এএফপি

২০১৩ সালে আইপিএল বেটিং বিতর্কে নাম জড়ানোর অভিযোগে ভারতের দুটি মিডিয়া চ্যানেল এবং একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানির মামলা করেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এক দশকেরও বেশি সময় পর, গত ১১ আগস্ট ২০২৫-এ মাদ্রাজ হাইকোর্ট এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।

ধোনির কৌঁসুলিপক্ষ হলফনামা জমা দিয়ে মামলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের পর বিচারক সিভি কার্তিকেয়ান এই নির্দেশ দেন। নিউজ১৮-এর খবর অনুযায়ী, ধোনির দেওয়া প্রমাণাদি নথিবদ্ধ করতে বিচারক একজন অ্যাডভোকেট কমিশনার নিয়োগ করেছেন। ধোনি আদালতে সশরীরে উপস্থিত হবেন না, কারণ তাঁর তারকা মর্যাদার কারণে আদালতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। তবে তিনি জবানবন্দি ও প্রমাণাদি দেবেন।

২০১৪ সালে এই মানহানির মামলা করেন ৪৪ বছর বয়সী ধোনি। তিনি অভিযোগ করেন, আইপিএল বেটিং বিতর্ক নিয়ে টিভি বিতর্কে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানিকর মন্তব্য করা হয়। দ্য হিন্দু জানিয়েছে, সিনিয়র কৌঁসুলি পি আর রমন ধোনির পক্ষে হলফনামা জমা দেন। হলফনামায় বলা হয়, “অনুচিত বিলম্ব এড়াতে এবং ন্যায়সংগত, দ্রুত বিচার পেতে এই অনুরোধ। আমি অ্যাডভোকেট কমিশনারকে সম্পূর্ণ সহায়তা করব এবং আদালতের নির্দেশ মেনে চলব।” স্টেটসম্যান জানিয়েছে, ধোনি হলফনামায় জানিয়েছেন, তিনি ২০ অক্টোবর থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে সাক্ষ্য ও প্রমাণাদি নথিবদ্ধ করতে প্রস্তুত। মামলাটি জি মিডিয়া করপোরেশন, সাংবাদিক সুধীর চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস কর্মকর্তা জি সম্পথ কুমার ও নিউজ নেশন নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন আবেদনের কারণে মামলাটি শুরু হতে দেরি হয়েছে।
২০১৩ সালের আইপিএল স্পট ফিক্সিং ও বেটিং বিতর্ক ছিল বড় ঘটনা। স্পট ফিক্সিংয়ে জড়ানোর অভিযোগে তিন ক্রিকেটার দোষী সাব্যস্ত হন। চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস দুই বছর নিষিদ্ধ হয়। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বেটিংয়ের অভিযোগ ছিল। ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেও ধোনি চেন্নাইয়ের হয়ে আইপিএলে খেলছেন।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.