পিচাই বলেন, “যখন কোনো প্রতিষ্ঠান বড় বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে যায়, তখন সাধারণত জনবল বাড়ানো হয়। কিন্তু এআই-নির্ভর এই পরিবর্তনের সময় আমাদের আরও দক্ষ ও উৎপাদনশীল হতে হবে। আমরা এখন বড় বিনিয়োগের পথে রয়েছি। এই বিনিয়োগ যেন যথাযথভাবে কাজে লাগে, সেজন্য আমাদের সম্পদ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে হবে। আমি চাই, আমরা আরও কার্যকর ও কৌশলগতভাবে কাজ করি।”
গুগলের কোর ডেভেলপমেন্ট ও পণ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রায়ান সালুজ্জো বলেন, “আমরা আমাদের সফটওয়্যার প্রকৌশলীদের জন্য একাধিক এআই টুল তৈরি করেছি, যার মাধ্যমে গুগলের সব কর্মী এআই প্রযুক্তি আরও ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। আমরা এআইকে দ্রুত কোডিং কার্যপ্রবাহে যুক্ত করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য, প্রকৌশলীরা যেন দ্রুত কাজ শেষ করতে পারেন এবং এর মাধ্যমে গুগলের সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।”
সম্প্রতি গুগলের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেটের ত্রৈমাসিক আয়ের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বলা হয়, ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি মূলধনী ব্যয় ৮৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে, যা আগে নির্ধারিত ৭৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেশি। পিচাইয়ের মতে, এআই-কেন্দ্রিক নতুন বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরের মাধ্যমে গুগল আরও টেকসই ও দক্ষ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।