Wednesday, August 20, 2025

সিলেটের ভোলাগঞ্জে পাথর লুটপাট: তদন্ত প্রতিবেদনে ১০ সুপারিশ, জড়িতদের নাম

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে পাথর লুটের ঘটনায় জেলা প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে ১০টি সুপারিশ এবং কিছু পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি লুটের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার বেলা দেড়টার দিকে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদের কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। পদ্মাসন সিংহের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘ডিসি স্যারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।’ পরে মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে আর কিছু বলা যাবে না।’

দেশে মোট ৫১টি পাথর ও বালু কোয়ারি রয়েছে, যার মধ্যে সিলেটের কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে ৮টি পাথর কোয়ারি রয়েছে। এছাড়া সাদাপাথর, জাফলং, বিছনাকান্দি, উৎমাছড়াসহ আরও ১০টি স্থানে পাথর পাওয়া যায়। এসব পাথর ভারতের পাহাড়ি নদী থেকে আসে। ২০২০ সালের আগে সংরক্ষিত এলাকা বাদে সিলেটের ৮টি কোয়ারি ইজারা দিয়ে পাথর উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হতো। তবে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতির কারণে ২০২০ সালের পর থেকে কোয়ারি ইজারা বন্ধ রয়েছে। সিলেটের ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতারা সবস Facetime video callসময় পড়েছেন, তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা ইজারা নিয়ে কথা বলেছি। পাথর চুরির কথা বলিনি। পাথরচোরদের উৎসাহিত করার মতো কিছু বলিনি। যদি কেউ এমন বার্তা ছড়ায়, তা ভুল।’
এদিকে, লুটের পাথর উদ্ধারে আজও অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী ও টাস্কফোর্স। সূত্র জানায়, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সদর উপজেলায় ৯৫ হাজার ঘনফুট এবং গোয়াইনঘাট উপজেলায় ২ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার হয়েছে। তবে কোম্পানীগঞ্জে অভিযান চললেও সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কতটুকু পাথর উদ্ধার হয়েছে, তা উপজেলা প্রশাসন জানাতে পারেনি।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.