Friday, August 1, 2025

তিস্তা সেতুর উদ্বোধন আগামীকাল

 
সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিসি গার্ডার কর্তৃক নির্মিত তিস্তা সেতু আগামীকাল যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত এই সেতু গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করেছে।

গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রায় ১,৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) নির্মিত অন্যতম বৃহৎ সেতু। এটি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর খেয়াঘাট ও কুড়িগ্রামের চিলমারী খেয়াঘাটের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। সূত্র জানায়, সেতুটি চালু হলে কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার মধ্যে যোগাযোগে ১০০ কিলোমিটারের বেশি পথ কমে যাবে। সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৭৩০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২৭৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, সংযোগ সড়কে ১০ কোটি ২৫ লাখ, নদী শাসনে ৮ কোটি ৫৫ লাখ এবং জমি অধিগ্রহণে ৬ কোটি টাকা। সেতুটির নিচে রয়েছে ৩০টি পিলার, যার মধ্যে ২৮টি নদীর মধ্যে ও ২টি দুই পাড়ে স্থাপন করা হয়েছে। সেতুর উভয় পাশে ৩.১৫ কিলোমিটার জুড়ে নদী শাসনের কাজ করা হয়েছে। সেতুর দুই প্রান্তে মোট ৫৭.৩ কিলোমিটার নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে চিলমারীর মাটিকাটা জংশন থেকে সেতু পর্যন্ত ৭.৩ কিলোমিটার এবং সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট থেকে হরিপুর সেতু পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার রাস্তা অন্তর্ভুক্ত।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সেতুটি চালু হলে কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধাসহ রংপুর অঞ্চলে কৃষিপণ্য পরিবহনে নতুন গতি আসবে। এতে কৃষকরা দ্রুত বাজারে পণ্য পৌঁছে দিতে পারবেন এবং সময়মতো পণ্য বিক্রি করে আয় বাড়াতে পারবেন। ফলে এলাকাজুড়ে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হবে।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.