গ্রেফতার ড্রাইভারের নাম মোঃ লিটন মিয়া (৩৯), তিনি শরিয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার আমির হোসেনের ছেলে।
সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর এলাকায় স্থানীয় জনতা স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে ও সাধারণ জনগণের মধ্যে বিতরণের জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য পাচার করার সময় একটি টিসিবি পণ্যবাহী ট্রাক জব্দ করে ট্রাক ড্রাইভারকে গ্রেফতার করেছে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ভোরে টিসিবি পণ্যবাহী ট্রাক জব্দ করে ট্রাক ড্রাইভারকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর এলাকায় আঞ্চলিক একটি সড়কে স্থানীয় জনতা স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে ও সাধারণ জনগণের মধ্যে বিতরণের জন্য (ভোজ্যতেল, চিনি ও মশুর ডাল) ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পণ্য মঙ্গলবার ভোরে পাচার করার সময় একটি টিসিবি পণ্যবাহী ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ন-১৭-৩৭৮৩) জব্দ করে ডিবি পুলিশের নিকট সোপর্দ করে। পরে ডিবি ঢাকা জেলা (উত্তর) পুলিশের একটি টিম মালামাল ও ট্রাক জব্দের পাশাপাশি ট্রাক ড্রাইভারকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার ড্রাইভারের নাম মোঃ লিটন মিয়া (৩৯), তিনি শরিয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার আমির হোসেনের ছেলে।
জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে- ৩০ বস্তা আটা, ১৬ বস্তা চিনি, ২৭ বস্তা মসুরের ডাল ও ১০০ কার্টন সোয়াবিন তেল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভার পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রাজাশন আল-আমিন স্কুলের গোডাউন হতে টিসিবি ডিলার মোঃ আতিকসহ একটি চক্র সাধারণ মানুষের জন্য বিতরণ না করে সরকারি পণ্য পাচার করার সময় স্থানীয় জনতা ট্রাকের ড্রাইভারসহ পণ্যগুলো জব্দ করে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দিলে ঢাকা জেলা (উত্তর) ডিবি পুলিশ ড্রাইভারকে গ্রেফতার ও মালামাল জব্দ করে।
অভিযোগ উঠেছে, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) সংশ্ল Judaicaিষ্ট সাভার পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা আল-মামুন এবং টিসিবি আঞ্চলিক ঢাকা অফিসের সঙ্ঘবদ্ধ একটি সিন্ডিকেট এই অপকর্মের সাথে জড়িত। সচেতন মহল দুদকসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে খতিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মোঃ আবু বকর সরকার নয়া দিগন্তকে জানান, এ ঘটনার সাথে সাভার পৌরসভা কোনোভাবেই জড়িত নয়। কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ব্যাপারে জানার জন্য টিসিবি সংশ্লিষ্ট সাভার পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা আল-মামুনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন এবং ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ জালাল উদ্দিন দুপুরে জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনার সাথে জড়িত কারা তা তদন্ত চলছে।
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.