Wednesday, August 20, 2025

দুদকের দুই উপ-পরিচালক বরখাস্ত

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়িত্ব অবহেলা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তাদের দুই উপ-পরিচালককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তারা হলেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আহসানুল কবীর পলাশ এবং একই কার্যালয়ের আরেক উপ-পরিচালক কমলেশ মন্ডল। বুধবার (২০ আগস্ট) দুদকের একটি সূত্র কালবেলাকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মো. আহসানুল কবীর পলাশের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে রূপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের প্ল্যান পাস করার অভিযোগের অনুসন্ধান প্রতিবেদন সময়মতো দাখিল না করার কারণে কমিশন এই ব্যবস্থা নিয়েছে। দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে পলাশকে এই অভিযোগের অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি কোনো প্রতিবেদন জমা দেননি এবং সময় বৃদ্ধির আবেদনও করেননি। ফলে দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মচারী বিধিমালা, ২০০৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত ১৬ জুলাই কমিশন সভায় বিধি ৪৩(১) অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি প্রচলিত বিধি অনুযায়ী খোরাকী ভাতা পাবেন। এ আদেশ গত ৬ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

অন্যদিকে, দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন স্বাক্ষরিত আরেকটি আদেশে বলা হয়, উপ-পরিচালক কমলেশ মন্ডলকে ওয়াসার ওয়াটার সাপ্লাই নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের পিডি ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আখতারুজ্জামান এবং অন্যদের বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে লোকবল নিয়োগ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আঁতাত করে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করেননি এবং সময় বৃদ্ধির কোনো আবেদনও করেননি। অভিযোগের গুরুত্ব ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বিবেচনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) চাকরি বিধিমালা, ২০০৮ অনুযায়ী অদক্ষতা, দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং অসদাচরণের দায়ে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.