- ঘটনার সূত্রপাত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, ডিসি অফিসের বিপরীত পাশের মসজিদে নামাজ শেষ করে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা এই হামলা চালায়।
- হামলার ধরণ: প্রথমে ইট-পাটকেল ও ডিম ছুড়ে মারার পর হকিষ্টিক দিয়ে অতর্কিত আঘাত করা হয়। হামলায় তিনজনের মাথা ফেটে গেছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও এনসিপি নেতা তারেক রেজাকে কিল-ঘুষি মারা হয়।
- ছিনতাইয়ের অভিযোগ: হামলাকারীরা তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সর্বশেষ
Friday, May 22, 2026
ভাইরাল সিদ্দিক দানবাক্স বিতর্ক: চুরির অপবাদ নাকি কিশোর গ্যাংয়ের চাঁদাবাজি? আসল সত্য উন্মোচন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দানবাক্স থেকে টাকা তোলার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর আবারও নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ খ্যাত মাওলানা খান মোহাম্মদ আবুবকর সিদ্দিক। প্রথম দিকে অনেকে এটিকে চুরি হিসেবে দাবি করলেও, ঘটনাটির পেছনে ভিন্ন সত্য জানা গেছে।
- সময় ও স্থান: গত ১৯ এপ্রিল ঢাকার মোহাম্মদপুরে নিয়মিত অর্থ সংগ্রহের অংশ হিসেবে তিনি দানবাক্স খুলছিলেন।
- আটকে রেখে নির্যাতন: ওই সময় স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা তাকে চোর আখ্যা দিয়ে ভিডিও ধারণ করে এবং দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করে।
- চাঁদা দাবি ও মামলা: তার কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরে বাধ্য হয়ে বিকাশের মাধ্যমে ৮ হাজার টাকা দিলে তিনি মুক্তি পান। এই ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Saturday, May 16, 2026
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের প্রিন্সকোর্ট মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্ত্রী আফরোজা আব্বাস।
সহধর্মিণী জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে তিনি দেশে ফিরতে পারেন।
শনিবার (১৭ মে) হাসপাতালে প্রবাসী সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাতে জানা যায়, চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস। তাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকরা তার অবস্থাকে আগের তুলনায় অনেক স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন।
আফরোজা আব্বাস বলেন, “চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুনর্বাসন চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।” বর্তমানে তিনি হুইলচেয়ারে করে কিছু সময় হাঁটাহাঁটিও করছেন।মালয়েশিয়া প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নিয়মিত তার খোঁজ নিচ্ছেন এবং হাসপাতালে দেখা করছেন।
Daily Engage Bangladesh | আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিক সংবাদ
মাদুরো গ্রেপ্তার ও ইরান অভিযান শেষে দেশে ফিরছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রণতরী ‘জেরাল্ড আর ফোর্ড’
মাদুরো গ্রেপ্তার ও ইরান অভিযান শেষে দেশে ফিরছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রণতরী ‘জেরাল্ড আর ফোর্ড’ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার অভিযান এবং ইরান যুদ্ধে অংশ নেওয়ার পর প্রায় এক বছরের দীর্ঘ মিশন শেষে অবশেষে দেশে ফিরছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক ও বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড।
শনিবার (১৬ মে) জাহাজটি ভার্জিনিয়ার নরফোক নৌঘাঁটিতে নোঙর করবে।ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর এটিই হতে যাচ্ছে মার্কিন নৌবাহিনীর ইতিহাসে কোনো রণতরীর সবচেয়ে দীর্ঘ মোতায়েন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদেশিক সামরিক লক্ষ্য পূরণে এই রণতরীটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।দীর্ঘ এই সময়জুড়ে নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটিয়েছেন। কারণ তাদের সন্তান-স্বজনরা এমন সব অভিযানে অংশ নিয়েছেন যা প্রতিনিয়ত বিশ্ব সংবাদের শিরোনাম হয়েছে।
রণতরীতে এভিয়েশন ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত এক নারী সেনার বাবা আমিনি ওসিয়াস সিএনএনকে বলেন, “এখন আমি কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছি এবং স্বাভাবিকভাবে ঘুমাতে পারব।” তিনি জানান, মেয়ের সঙ্গে বাইরে খেতে যাওয়া এবং তার অভিযানের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার গল্প শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন।এর আগে মার্চ মাসে জাহাজের লন্ড্রি এলাকায় আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণ ও পরিষ্কার করতে ক্রুদের প্রায় ৩০ ঘণ্টা সময় লেগেছিল। প্রায় ৬০০ নাবিক সাময়িকভাবে থাকার জায়গা হারান, তবে সৌভাগ্যবশত কেউ গুরুতর আহত হননি। এছাড়া এর কয়েক মাস আগে জাহাজের টয়লেট ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় বারবার সমস্যা দেখা দেয়, যার কারণে জরুরি মেরামতের জন্য বন্দরে ভিড়তে হয়।১৩ বিলিয়ন ডলারের এই অত্যাধুনিক রণতরীটি ভেনেজুয়েলা ও ইরান অভিযানে অপরিহার্য ছিল। মাদুরো গ্রেপ্তার অভিযানে এখান থেকেই যুদ্ধবিমান উৎক্ষেপণ করা হয়। ইরান যুদ্ধেও একের পর এক বিমান হামলার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এটি কাজ করেছে।
মার্কিন নৌবাহিনীর ২৬ বছরের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ব্রেন্ট স্যাডলার বলেন, এই জাহাজের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো তার ইলেকট্রনিক ক্যাটাপাল্ট সিস্টেম। এটি ছোট ড্রোন থেকে শুরু করে বড় যুদ্ধবিমান পর্যন্ত সবকিছু উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম। বর্তমানে মোতায়েন অন্য ১০টি রণতরীর এই সক্ষমতা নেই।
গত বছরের জুনে ভার্জিনিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে জাহাজটি আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে ভূমধ্যসাগর ও নরওয়ে অঞ্চলে অবস্থান নেয়। জানুয়ারিতে মাদুরো অভিযানের জন্য ক্যারিবীয় সাগরে পাঠানো হয়। পরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধে অংশ নেয়। চলতি মাসের শুরুতে ভূমধ্যসাগর হয়ে দেশের পথে ফিরে।
Engage Bangladesh | সর্বশেষ আন্তর্জাতিক খবর
Friday, May 15, 2026
সিনেমার চোখে ইতিহাসের সম্মান: ঢাকায় রাশিয়ান হাউসের ‘ফ্রেমস অব মেমরি’ চলচ্চিত্র উৎসব
রাজধানীর রাশিয়ান হাউসে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুশ ভাষার শিক্ষার্থী, বৃত্তি প্রার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এবং সাংস্কৃতিক সংস্থার সদস্যসহ উৎসাহী দর্শকদের উপস্থিতিতে মিলনমেলা পরিণত হয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, চলচ্চিত্রের শক্তিশালী ভাষায় ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ-রাশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতিক সংলাপ বৃদ্ধিই এ উৎসবের মূল লক্ষ্য।উদ্বোধনী বক্তব্যে আলেকজান্দ্রা খ্লেভনয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রাণ হারানো লক্ষ লক্ষ মানুষের স্মৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি যুদ্ধের মর্মান্তিক মানবিক বিপর্যয়ের কথা স্মরণ করিয়ে বলেন, চলচ্চিত্র কীভাবে ঐতিহাসিক সত্যকে সংরক্ষণ করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শান্তি ও মানবতার প্রতি অনুপ্রাণিত করতে পারে।
বক্তব্যের পর দর্শকদের জন্য উপস্থাপন করা হয় সোভিয়েত চলচ্চিত্রের ক্লাসিক ‘ব্যালাড অব অ্যা সোলজার’-এর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। এরপর পূর্ণাঙ্গ সিনেমাটি প্রদর্শিত হয়। যুদ্ধের ধ্বংসলীলার মধ্যেও সাহস, ত্যাগ ও মানুষের অদম্য চেতনার যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা দর্শকদের গভীরভাবে নাড়া দেয়।উৎসবটি আগামী ২১ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে সোভিয়েত ও যুদ্ধোত্তর সময়ের নির্বাচিত সেরা চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শিত হবে, যা দর্শকদের সামনে তুলে ধরবে ইতিহাস ও শিল্পের অনন্য ‘ফ্রেম’।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ উৎসব বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে এবং তরুণ প্রজন্মকে বিশ্ব চলচ্চিত্র এবং যৌথ ঐতিহাসিক স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত করবে।‘ফ্রেমস অব মেমরি’ চলচ্চিত্র উৎসব সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। এটি ঢাকার চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এ সপ্তাহের একটি উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


.jpg)
