ডেইলি এনগেজ বাংলাদেশঢাকা, ১৪ মে ২০২৬ — রাশিয়ান হাউস ইন বাংলাদেশ বুধবার রাশিয়ান ভিক্টরি ডে’র ৮১তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসব ‘ফ্রেমস অব মেমরি: ফ্রম মস্কো টু বাংলাদেশ’ উদ্বোধন করেছে।
রাজধানীর রাশিয়ান হাউসে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুশ ভাষার শিক্ষার্থী, বৃত্তি প্রার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এবং সাংস্কৃতিক সংস্থার সদস্যসহ উৎসাহী দর্শকদের উপস্থিতিতে মিলনমেলা পরিণত হয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, চলচ্চিত্রের শক্তিশালী ভাষায় ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ-রাশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতিক সংলাপ বৃদ্ধিই এ উৎসবের মূল লক্ষ্য।উদ্বোধনী বক্তব্যে আলেকজান্দ্রা খ্লেভনয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রাণ হারানো লক্ষ লক্ষ মানুষের স্মৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি যুদ্ধের মর্মান্তিক মানবিক বিপর্যয়ের কথা স্মরণ করিয়ে বলেন, চলচ্চিত্র কীভাবে ঐতিহাসিক সত্যকে সংরক্ষণ করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শান্তি ও মানবতার প্রতি অনুপ্রাণিত করতে পারে।বক্তব্যের পর দর্শকদের জন্য উপস্থাপন করা হয় সোভিয়েত চলচ্চিত্রের ক্লাসিক ‘ব্যালাড অব অ্যা সোলজার’-এর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। এরপর পূর্ণাঙ্গ সিনেমাটি প্রদর্শিত হয়। যুদ্ধের ধ্বংসলীলার মধ্যেও সাহস, ত্যাগ ও মানুষের অদম্য চেতনার যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা দর্শকদের গভীরভাবে নাড়া দেয়।উৎসবটি আগামী ২১ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে সোভিয়েত ও যুদ্ধোত্তর সময়ের নির্বাচিত সেরা চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শিত হবে, যা দর্শকদের সামনে তুলে ধরবে ইতিহাস ও শিল্পের অনন্য ‘ফ্রেম’।আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ উৎসব বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে এবং তরুণ প্রজন্মকে বিশ্ব চলচ্চিত্র এবং যৌথ ঐতিহাসিক স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত করবে।‘ফ্রেমস অব মেমরি’ চলচ্চিত্র উৎসব সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। এটি ঢাকার চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এ সপ্তাহের একটি উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রাজধানীর রাশিয়ান হাউসে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুশ ভাষার শিক্ষার্থী, বৃত্তি প্রার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এবং সাংস্কৃতিক সংস্থার সদস্যসহ উৎসাহী দর্শকদের উপস্থিতিতে মিলনমেলা পরিণত হয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, চলচ্চিত্রের শক্তিশালী ভাষায় ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ-রাশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতিক সংলাপ বৃদ্ধিই এ উৎসবের মূল লক্ষ্য।উদ্বোধনী বক্তব্যে আলেকজান্দ্রা খ্লেভনয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রাণ হারানো লক্ষ লক্ষ মানুষের স্মৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি যুদ্ধের মর্মান্তিক মানবিক বিপর্যয়ের কথা স্মরণ করিয়ে বলেন, চলচ্চিত্র কীভাবে ঐতিহাসিক সত্যকে সংরক্ষণ করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শান্তি ও মানবতার প্রতি অনুপ্রাণিত করতে পারে।বক্তব্যের পর দর্শকদের জন্য উপস্থাপন করা হয় সোভিয়েত চলচ্চিত্রের ক্লাসিক ‘ব্যালাড অব অ্যা সোলজার’-এর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। এরপর পূর্ণাঙ্গ সিনেমাটি প্রদর্শিত হয়। যুদ্ধের ধ্বংসলীলার মধ্যেও সাহস, ত্যাগ ও মানুষের অদম্য চেতনার যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা দর্শকদের গভীরভাবে নাড়া দেয়।উৎসবটি আগামী ২১ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে সোভিয়েত ও যুদ্ধোত্তর সময়ের নির্বাচিত সেরা চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শিত হবে, যা দর্শকদের সামনে তুলে ধরবে ইতিহাস ও শিল্পের অনন্য ‘ফ্রেম’।আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ উৎসব বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে এবং তরুণ প্রজন্মকে বিশ্ব চলচ্চিত্র এবং যৌথ ঐতিহাসিক স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত করবে।‘ফ্রেমস অব মেমরি’ চলচ্চিত্র উৎসব সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। এটি ঢাকার চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এ সপ্তাহের একটি উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
