ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ — বাংলাদেশ মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-তে ২৫ ফেব্রুয়ারি আরটি প্রযোজিত প্রামাণ্যচিত্র “NICA. Made in Russia” এর একটি বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাশিয়ান হাউস, ঢাকার সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতায় আগ্রহী শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রামাণ্যচিত্রটি রাশিয়ার দুবনায় অবস্থিত জয়েন্ট ইনস্টিটিউট ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ (JINR)-এ বাস্তবায়িত যুগান্তকারী NICA (Nuclotron-based Ion Collider fAcility) প্রকল্পের ওপর আলোকপাত করে। এতে উচ্চ-শক্তির পদার্থবিজ্ঞানে রাশিয়ার অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে এবং কণা পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম উচ্চাভিলাষী গবেষণা অবকাঠামো নির্মাণে বিশ্বের বিজ্ঞানীদের যৌথ প্রচেষ্টা প্রদর্শিত হয়েছে। NICA প্রকল্প মহাবিশ্বের প্রাথমিক অবস্থার পুনর্নির্মাণ করে মৌলিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজার লক্ষ্যে কাজ করছে।
প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীরা আধুনিক বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো, মৌলিক গবেষণার প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা লাভ করেন। দর্শকরা বিশেষ করে NICA-এর বৈশ্বিক চরিত্র এবং তরুণ গবেষকদের জন্য এর উন্মুক্ত সুযোগ-সম্ভাবনায় আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রদর্শনী শেষে এক প্রাণবন্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন, রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ এবং বাংলাদেশ-রাশিয়া একাডেমিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
এই প্রদর্শনী বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উন্নত গবেষণা ও বিজ্ঞানী সংলাপে আগ্রহ জাগানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। রাশিয়ান সায়েন্স ডে উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী আয়োজিত এই ধরনের অনুষ্ঠান বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্কের বিজ্ঞান কূটনীতির নতুন অধ্যায় উন্মোচন করছে।
প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীরা আধুনিক বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো, মৌলিক গবেষণার প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা লাভ করেন। দর্শকরা বিশেষ করে NICA-এর বৈশ্বিক চরিত্র এবং তরুণ গবেষকদের জন্য এর উন্মুক্ত সুযোগ-সম্ভাবনায় আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রদর্শনী শেষে এক প্রাণবন্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন, রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ এবং বাংলাদেশ-রাশিয়া একাডেমিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
এই প্রদর্শনী বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উন্নত গবেষণা ও বিজ্ঞানী সংলাপে আগ্রহ জাগানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। রাশিয়ান সায়েন্স ডে উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী আয়োজিত এই ধরনের অনুষ্ঠান বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্কের বিজ্ঞান কূটনীতির নতুন অধ্যায় উন্মোচন করছে।
