Monday, June 30, 2025

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত, কারিগরি ত্রুটির অভিযোগ

১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফল পুনরায় যাচাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে এক দিনের মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) কারিগরি ত্রুটির অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ত্রুটি সংশোধন করে ফলাফল আবারও প্রকাশ করা হতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, ১৮তম নিবন্ধনের এক দিনের একটি বোর্ডের ভাইভায় কারিগরি ত্রুটি ছিল বলে প্রাথমিকভাবে সামনে এসেছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এই বিষয়টি সমাধানের জন্য কাজ করছে এবং ত্রুটির বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘১৮তম নিবন্ধনে ফেল করা সব প্রার্থীর অভিযোগ সঠিক নয়। তবে এক দিনের ভাইভায় কিছুটা ত্রুটি হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। আসলেই যদি ত্রুটি হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি সমাধান করা হবে। কেউ বঞ্চিত হবেন না। ওই প্রার্থীদের ফল পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।’ তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, সামগ্রিক ফলাফল পরিবর্তনের সুযোগ নেই। তার মতে, যারা ফেল করেছেন, তাদের সবাই যোগ্য নন এবং অনেকের ন্যূনতম মৌলিক জ্ঞান ছিল না। সবাইকে পাস করানো বা সনদ দেওয়ার সুযোগ নেই। ফলাফলে কোনো অসঙ্গতি হয়েছে কি না, কেবল সেটিই যাচাই করা হচ্ছে এবং অসঙ্গতি পেলে তা সমাধান করা হবে। গত ৪ জুন ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়, যেখানে ৬০,৫২১ জন প্রার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়। এই ফলাফলে ২০ হাজারেরও বেশি প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মো. মিলন নামে এক নিবন্ধনপ্রত্যাশী জানান, তাদের ফলাফলে অনেক অসঙ্গতি রয়েছে। যেমন, কোনো বোর্ডে ৬০ জনের মধ্যে ৫১ জন ফেল, আবার কোনো বোর্ডে মাত্র তিনজন ফেল। তিনি আরও বলেন, লিখিত পরীক্ষায় ৪০ পেয়েও কেউ উত্তীর্ণ হয়েছেন, আবার ৭০ নম্বর পাওয়ার কথা থাকলেও অনেকে ফেল করেছেন। এসব কারণে তারা ফলাফল মানেন না এবং ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.