বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। পোশাক শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শিক্ষা, বিমান পরিবহন, অবকাঠামো, প্রযুক্তি এবং পরিষেবা খাতে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানির প্রধান পণ্য হলো পোশাক ও বস্ত্র। এ ছাড়া চিংড়ি, বাইসাইকেল এবং হস্তশিল্পও রপ্তানি হচ্ছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ যুক্তরাজ্য থেকে লোহা ও স্ক্র্যাপ, যন্ত্রপাতি, জেনারেটর, এয়ারক্র্যাফটসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করছে। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের শিল্প, অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং প্রযুক্তি খাতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে ঢাকা থেকে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করা হচ্ছে।
পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার আলোচনা
বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের সঙ্গে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে সক্রিয়ভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। গত মার্চে বাংলাদেশ সরকার অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আর্থিক ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর লন্ডনে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অর্থ পাচারে জড়িত বাংলাদেশি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ব্রিটিশ সরকারকে এই বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপে সম্মত করানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, যা দুই দেশের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে স্থান পাচ্ছে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সমর্থন
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। তারা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে মানবিক সহায়তা প্রদান করছে। ২০১৮ সালে যুক্তরাজ্যের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। এ ছাড়া, যুক্তরাজ্য জাতিসংঘের মাধ্যমে কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে মিয়ানমারের ওপর রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য করা যায়।
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.