Thursday, June 26, 2025

এনবিআর প্রধান গেট বন্ধ, আন্দোলনকারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা, ২৬ জুন ২০২৫: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রধান কার্যালয়ে আন্দোলনরত এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের নেতাদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে আগারগাঁওয়ে অবস্থিত এনবিআরের প্রধান গেট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গেটে অবস্থান নিয়ে কাউকে প্রবেশ বা বহির্গমনের অনুমতি দিচ্ছেন না। ফলে এনবিআরের কার্যালয় বর্তমানে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও অতিরিক্ত কমিশনার হাসান মুহাম্মদ তারেক রিকাবদারসহ আন্দোলনকারী নেতাদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাদের জানানো হয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে। তবে এ বিষয়ে হাসান মুহাম্মদ তারেক রিকাবদার বলেন, “অর্থ উপদেষ্টার আহ্বানে আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনায় বসব। আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করছি। আমার অফিসে আমি কেন ঢুকতে পারব না? আমরা কোনো দাঙ্গা-হাঙ্গামা করিনি। আমাদের আলোচনায় ডাকা হয়নি। আজ যাদের ডাকা হয়েছে, তারা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।”
তিনি আরও জানান, অর্থ উপদেষ্টা আজ বিকাল ৫টায় বিসিএস (কর) ও সিসিএস (কাস্টমস ও এক্সাইজ) ক্যাডারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এই প্রতিনিধিরা চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত, যারা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত নন এবং আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে, গতকাল (২৫ জুন) এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণের এক দফা দাবি এবং ২৮ জুন থেকে লাগাতার ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ও ‘মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। সংগঠনটি জানায়, গত ২০ মে অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। মাত্র ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল তাদের প্রতিনিধিদের, এবং আলোচনার অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না।
এই আন্দোলনের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণ, ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিল, এবং সংস্কার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও অংশীজনদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
এ.আই/এম.আর


Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.