১২ জুন, ২০২৫ : শেখ হাসিনার সরকারের সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে লন্ডন, দুবাই এবং নিউইয়র্কে ৫০ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যের সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থা আই-ইউনিটের দাবি, তিনি মন্ত্রী থাকাকালীন এই সম্পদ কিনেছেন, যদিও বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজন নাগরিক বছরে মাত্র ১২ হাজার ডলার বৈধভাবে বিদেশে নিতে পারেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি এই বিপুল সম্পদ করদাতার বিবরণীতে কখনোই ঘোষণা করেননি।
এই অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা দেশত্যাগের আগে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে শত শত মানুষ নিহত হয়। এর ফলে দেশে ভয়াবহ রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দেশজুড়ে তদন্ত শুরু হয়।
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে লন্ডনের লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের কাছে তার বিলাসবহুল বাড়িতে আরামদায়ক জীবনযাপন করতে দেখা গেছে। অভিযোগের জবাবে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছেন, তার বিদেশি সম্পদ দীর্ঘদিনের বৈধ ব্যবসা থেকে অর্জিত এবং তিনি বর্তমানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।
যুক্তরাজ্যে তার সম্পদ জব্দের ঘটনা শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে এবং আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। কর্তৃপক্ষ তার সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
