Monday, June 30, 2025

মতিঝিলে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনায় ৩ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর মতিঝিলে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এক ব্যবসায়ীর ৩০ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ তিনজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত হাইয়েস গাড়ি ও নগদ ৮৯ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. শামিম রহমান (২৯), মো. মিজান রহমান (৫১) এবং রবিউল ইসলাম জুয়েল (৪২)।

শুক্রবার থেকে রোববার (২৭ থেকে ২৯ জুন) ঢাকা ও ঝালকাঠিতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় শামিমের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত হাইয়েস গাড়ি, মিজানের কাছ থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকা এবং জুয়েলের কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। রোববার (৩০ জুন) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ডিসি তালেবুর জানান, গত ২৬ জুন বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ১২টায় ওয়ারীর নবাবপুরের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে মো. খলিল মিয়া ও ইব্রাহীম হোসেন রিফাত নামের দুই ব্যক্তি স্কুটিতে করে ৩০ লাখ টাকা মতিঝিল সিটি ব্যাংক শাখায় জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে তারা মতিঝিলের ঘরোয়া হোটেলের সামনে পৌঁছানোর পর ৬/৭ জন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাদেরকে ‘ডিবি’ লেখা হাইয়েস মাইক্রোবাসে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে তাদের মারধর করে, অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ৩০ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে হাত-পা বেঁধে সাইনবোর্ড বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ময়লার ডাস্টবিনে ফেলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সাইনবোর্ডের প্রো-অ্যাকটিভ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানের মালিক সাইদুল ইসলামের অভিযোগের ভিত্তিতে মতিঝিল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়। তিনি আরও জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শুক্রবার থেকে রোববার ঢাকা ও ঝালকাঠিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারের সময় শামিমের কাছ থেকে হাইয়েস গাড়ি, মিজানের কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা এবং জুয়েলের কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মিজানের নামে ঝালকাঠির রাজাপুর ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় আরও দুটি ডাকাতির মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। লুট হওয়া বাকি টাকা উদ্ধার ও আত্মগোপনে থাকা অন্য ডাকাতদের গ্রেপ্তারে অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনিচুর রহমান তালুকদার এর নেতৃত্বে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.