পিসিবির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছে, আইসিসি ও এশিয়া কাপের মতো বৈশ্বিক ও মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট থেকে আয় পাকিস্তান ক্রিকেটের আর্থিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, আগামী সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা রয়েছে। এমনকি হলেও ভেন্যু পরিবর্তন হতে পারে। ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের টানাপোড়েন এই টুর্নামেন্টের উপর প্রভাব ফেলেছে। এ সপ্তাহে ঢাকায় এসিসির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ভারতসহ কয়েকটি দেশ বাংলাদেশে আসতে আপত্তি জানানোয় সেই বৈঠকও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান এবং পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি গত সপ্তাহে সিঙ্গাপুরে আইসিসি মিটিংয়ে সশরীরে অংশ নেননি, বরং ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন। এদিকে, পিসিবির সিইও সুমায়ের আহমেদ মিটিংয়ে সরাসরি উপস্থিত থেকেও ভারত, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানসহ অন্যান্য বোর্ডের কাছ থেকে ২৪ জুলাই ঢাকায় এসিসির বৈঠকে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া পাননি। ভারত, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, ওমানসহ বেশ কয়েকটি সদস্য বোর্ড ঢাকায় বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। এসিসির চেয়ারম্যান বর্তমানে নাকভি নিজেই। মূলত ভারতেই সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের অচলাবস্থার কারণে টুর্নামেন্টটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
এশিয়া কাপের অনিশ্চয়তায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক সংকট
এদিকে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে পিসিবি পরবর্তী পাকিস্তান সুপার লিগ থেকে ২৫০ কোটি রুপি আয়ের প্রত্যাশা রেখেছে। মোট বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ১৮৮০ কোটি রুপি (প্রায় ৮৫৯ কোটি টাকা)। এশিয়া কাপ থেকে প্রত্যাশিত আয় না পেলে পিসিবির আর্থিক চাপ আরও বাড়বে। শুধু পাকিস্তান নয়, এশিয়া কাপ না হলে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলোও রাজস্ব হারাবে।