অর্থসচিব ও সিসিপের জাতীয় প্রোগ্রাম পরিচালক মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, ১২ হাজার তরুণের প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন হলে সরকার পিকেএসএফকে আরও বেশি সহায়তা প্রদান করবে। তিনি বিদেশে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদার কথা উল্লেখ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার রাষ্ট্রীয় প্রচেষ্টায় পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাগুলোকে কার্যকর অবদান রাখার আহ্বান জানান।
অতিরিক্ত সচিব ও সিসিপের নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন বলেন, পিকেএসএফ সারাদেশে এই প্রকল্প দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করবে বলে তিনি আশাবাদী। প্রশিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য তাদের বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেন, বাংলাদেশের জনমিতিক সুবিধা চিরস্থায়ী নয়। এই সুবিধাকে কাজে লাগাতে দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। এই লক্ষ্যে প্রকল্পটি সরকারের দক্ষতা উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, প্রতি বছর ২০ লাখেরও বেশি তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে, যা দেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা। এই বাস্তবতায় সরকার দক্ষতা উন্নয়নে জোর দিচ্ছে, এবং পিকেএসএফ তাদের ‘কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০’-এ দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে মানবসামর্থ্য বৃদ্ধিকে প্রধান কৌশল হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পিকেএসএফের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জসীম উদ্দিন, এবং জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক মো. জিয়াউদ্দিন ইকবাল প্রকল্প সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা প্রদান করেন।
প্রকল্পের আওতায় ১২টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, এবং প্রশিক্ষণার্থীদের থাকা ও খাওয়ার সম্পূর্ণ খরচ প্রকল্প থেকে বহন করা হবে। দক্ষতার ভিত্তিতে আত্ম ও মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণলব্ধদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। পূর্ববর্তী সিয়েপ প্রকল্পের আওতায় ৩৮,৬৩৩ জনকে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।