Monday, July 28, 2025

জি এম কাদের: সরকারের ঘনিষ্ঠরাই বলছে, এই সরকারের নির্বাচন দেওয়ার সক্ষমতা নেই

ঢাকা, ২৮ জুলাই ২০২৫: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের) বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাও এখন এই সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি সরকারের নিরপেক্ষতা এবং নির্বাচন পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

জি এম কাদের অভিযোগ করেন, প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাসদস্যদের সহায়তায় একটি রাজনৈতিক দল সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে, যখন জাতীয় পার্টির মতো নিবন্ধিত দলগুলোকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “সরকারের ঘনিষ্ঠরাই বলছেন, এই সরকারের মধ্যে আরেকটি সরকার রয়েছে। তারাই বলছেন, এই সরকারের নির্বাচন দেওয়ার সক্ষমতা নেই এবং এটি নিরপেক্ষ নয়।”

দেশের বেকারত্ব, বিদেশি বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং পোশাকশিল্পে সংকটের মতো সমস্যাগুলোর সমাধানে সবার অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার এবং নির্বাচনে কোনো সরকারি দলের অংশগ্রহণ না থাকার ওপর জোর দেন। জি এম কাদের আরও অভিযোগ করেন, সরকারের সমালোচনার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে, তাঁর ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে এবং পাসপোর্ট দেওয়া হচ্ছে না। জুলাই আন্দোলনের পর জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং জামিন দেওয়া হচ্ছে না। বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারের সমালোচনা করলেই তাঁদের ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। মাইলস্টোন স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে কয়েকজন উপদেষ্টার জনরোষের মুখে পড়ার ঘটনা উল্লেখ করে বলা হয়, “দেশের অধিকাংশ মানুষকে ফ্যাসিবাদের দোসর বানিয়ে সরকার বিপদে পড়ছে।”
জাতীয় পার্টির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে সরকার, অভিযোগ করে জি এম কাদের বলেন, “আমাদের রাজনীতি করতে দেওয়া হবে কি না বা নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে। জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করা দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় জি এম কাদেরবিহীন জাতীয় পার্টি তৈরির অপচেষ্টা চলছে।”

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.