শুক্রবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে জর্ডান, মিসর, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়াসহ দেশগুলো এবং আরব লীগ, ওআইসি ও জিসিসির মহাসচিবরা একযোগে বলেন, তারা জাতিসংঘ সনদের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বলপ্রয়োগ বা দমননীতি কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
বিবৃতিতে ইসরায়েলের অতি-ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচের ওয়েস্ট ব্যাংকের বিতর্কিত ‘ই-ওয়ান সেটেলমেন্ট প্রকল্প’ অনুমোদন এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। এসব পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৩৩৪ নম্বর প্রস্তাব এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের মতামতের উল্লেখ করে দেশগুলো জানায়, দখলকৃত ভূমির জনসংখ্যাগত বা আইনি অবস্থান পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টা অবৈধ। তারা সতর্ক করে বলেছে, বসতি স্থাপন, ভূমি দখল, জোরপূর্বক উচ্ছেদ, শরণার্থী শিবির ধ্বংস এবং ধর্মীয় স্থানে হামলার পরিণতি ভয়াবহ হবে।
গাজা ইস্যুতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যা, জাতিগত নির্মূল এবং ক্ষুধাকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। দেশগুলো অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, অবাধ মানবিক সহায়তা এবং অবরোধ প্রত্যাহারের আহ্বান জানায়।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের প্রতি ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয়, যাতে ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের অধিকার নিশ্চিত হয়।