ফেনীতে বিএনপির এক নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে আমজাদ হাট ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি নজরুল ইসলাম শামীম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আবুল কালাম (৫৫) আমজাদহাট ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে ফুলগাজী উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি আমজাদহাট এলাকায় একটি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে এক যুবককে শনাক্ত করার পর বুধবার সকালে স্থানীয়ভাবে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আবুল কালামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বৈঠক চলাকালে শনাক্তকৃত চোর তার কয়েকজন সহযোগীর নাম প্রকাশ করে।
এ সময় চোর যুবলীগ নেতা শামীমের এক আত্মীয়ের নাম প্রকাশ করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে চোরকে মারধর শুরু করেন। আবুল কালাম মারধরে বাধা দিলে শামীম ধারালো বস্তু দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে ফাটিয়ে দেন। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় কালামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পর আমজাদহাট ইউনিয়ন ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
আমজাদহাট ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাহার উদ্দিন মজুমদার কালবেলাকে বলেন, "বর্তমান পরিবর্তিত সময়েও আওয়ামী-যুবলীগ বিএনপি কর্মীদের উপর হামলা করে। এটা সত্যিই দুঃখজনক।" তিনি হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ফুলগাজী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হোসেন কালবেলাকে বলেন, "কালাম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সেক্রেটারি ছিলেন। আমি তার উপর নেক্কারজনক হামলার নিন্দা জানাই। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।"
ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফর রহমান জানান, শনাক্তকৃত চোর উত্তর ধর্মপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মারামারির ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন, "আমি ঘটনাটি শুনেছি, তবে এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ এ বিষয়ে কাজ করছে।"
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.