Tuesday, August 19, 2025

জাবিতে ফের ছাত্রদলের দুই পক্ষের হাতাহাতি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে ফের উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শাখা ছাত্রদলের ৩৭০ সদস্য বিশিষ্ট বর্ধিত কমিটি ও ১৭টি হলে ৮৮ সদস্যের কমিটিতে হত্যা মামলার আসামি, ছাত্রলীগ ও ছিনতাইকারী রয়েছে বলে অভিযোগ। এ কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে ছাত্রদলের এক দল বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী। হল কমিটি বাতিল করার দাবি জানিয়ে তারা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন বাবর ও সদস্যসচিব ওয়াসিম আহমেদ অনিককে আধা ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন। অন্যথায় ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ দেন বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও কোনো সিদ্ধান্তে না আসায় দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। প্রক্টর দু’পক্ষকে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেন।

বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা জানান, আমাদের দাবি, কমিটি বাতিল করতে হবে। হল কমিটি বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিলে আমরা জাকসুকে সামনে রেখে আপাতত আন্দোলন বন্ধ রাখব এবং ছাত্রদলের প্যানেলের জন্য কাজ করব। অন্যথায় আমরা কোনো আলোচনায় বসতে রাজি নই।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন বাবর বলেন, জাকসুর আগে একটা পক্ষ ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এত বড় কমিটিতে ভুলত্রুটি থাকতেই পারে, তা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। কমিটি নিয়ে আমরা মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের কয়েকজন শিক্ষকের উপস্থিতিতে দু’পক্ষ আলাপ-আলোচনায় বসবো।

এর আগে, রোববার দুপুরে ক্যাফেটেরিয়া এলাকায়ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির ও সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আফসান ইয়াহিয়ার উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।


Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.