২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি সমালোচকদের কাছে ফ্যাসিস্ট হিসেবে পরিচিত, ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নেন। তার সঙ্গে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং প্রভাবশালী নেতারাও ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। ইসলামবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই নেতাদের স্বাগত জানিয়েছেন বলে জানা
গত এক বছরে, শেখ হাসিনা এবং তার দলের নেতারা ভারতকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচনা করেছেন। এদিকে, বাংলাদেশে হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় ২৫০টি মামলা দায়ের হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে, এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গণহত্যায় তার জড়িত থাকার এবং সরাসরি হত্যার নির্দেশ দেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে। গণহত্যার অভিযোগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
হাসিনা এবং তার সহযোগীদের, যেমন ওবায়দুল কাদেরের মতো নেতাদের উপস্থিতি ভারতীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতীয় নাগরিক বলেন, “যিনি নিজের দেশে গণহত্যা চালিয়েছেন, তিনি এখন আমাদের বাড়ির কাছে বসবাস করছেন। তার এখানে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে না, এর গ্যারান্টি কী?”
আওয়ামী লীগের গোপন সূত্রের তথ্যমতে, প্রায় ৭০ জন সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা সভাপতি-সম্পাদক, উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র এবং শীর্ষ নেতৃত্ব কলকাতা ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাস করছেন। কেউ কেউ সপরিবারে থাকছেন, আবার কেউ কেউ একসঙ্গে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন। এছাড়া, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ৫০ জনেরও বেশি সাবেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতারা অবস্থান করছেন।
এই পরিস্থিতি ভারতীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। প্রায় ১,৫০০ ছাত্র ও সাধারণ মানুষের হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কলকাতা ও দিল্লির মতো শহরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, যা জনমনে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। এমনকি একসময় হাসিনার সমর্থক ভারতীয় গণমাধ্যমও এখন তার বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করছে। ভারতীয় নাগরিকরা এখন প্রকাশ্যে দাবি করছেন, “হাসিনাকে সরান, দেশ বাঁচান। মোদি কি মনে করেন এটা তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি?” অনেকে মনে করেন, মোদির একজন গণহত্যাকারীকে আশ্রয় দেওয়ার কোনো অধিকার নেই এবং তারা ভারত সরকারকে হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে এক বছর আগের “পাপ” মোচন করা যায়।
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.