Tuesday, August 19, 2025

ডাকসু নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনও নিশ্চিত হয়নি: ছাত্রদল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের সদস্যরা। সোমবার (১৮ আগস্ট) ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তারা।

ঢাবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ‘বাংলাদেশের দ্বিতীয় পার্লামেন্টখ্যাত এবং দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী লড়াই-সংগ্রামের পর ২৪ জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সারা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক চর্চার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সেই নির্বাচনে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের অধিকার চর্চার লক্ষ্যে ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময় থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ডাকসু নির্বাচন আয়োজনের জন্য সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে এবং যে ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি নিরপেক্ষ, অবাধ, অংশগ্রহণমূলক, আনন্দমুখর পরিবেশে নির্বাচন করতে পারে, ছাত্রদল সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সংসদ এবং কেন্দ্রীয় ডাকসুর মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের শেষ দিন। তারই ধারাবাহিকতায় ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ছাত্রদলের কিছু শিক্ষার্থী এবং কিছু সাধারণ শিক্ষার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে যায় বিকাল সাড়ে ৩টার পরে। ঠিক সেই সময় ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের একদল উগ্র শিক্ষার্থী এই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহে বাধা প্রদান করে, মব উসকে দিয়ে ব্যাপকভাবে মানসিক হেনস্তা করে এবং শারীরিকভাবে নির্যাতনের চেষ্টা করে।’ ‘আমরা সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনা ডাকসুর চিফ প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে এবং ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্টকে অবগত করি। কিন্তু তারা সেই পরিস্থিতি পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই শিক্ষার্থীরা হল থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য হয় এবং তারা তাদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে পারেনি। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে আমরা চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছি।’
**বিভাগ: রাজনীতি**

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.