Friday, August 22, 2025

জয় ও তারেক রহমানের বক্তব্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখছি না: মুফতি ফয়জুল করীম**

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, সাজীব ওয়াজেদ জয় ও তারেক রহমানের বক্তব্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে জয় বলেছিলেন, কোনো অবস্থাতেই যেন মৌলবাদী উত্থান না হয়। এখন তারেক রহমানও একই কথা বলছেন। তিনি বলেন, “জয়ের বক্তব্য ও তারেক রহমানের বক্তব্যের মধ্যে আমি কোনো পার্থক্য দেখছি না।”

শুক্রবার (২২ আগস্ট) শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা এতদিন যাদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, তারা ছিল দক্ষিণপন্থীদের ভোট। একসময় আপনারা মৌলবাদীদের পক্ষে কথা বলেছিলেন। এখন তাদের বিপক্ষে কথা বলছেন কেন? এত বছর ধরে মৌলবাদীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে, কিন্তু তারা এখন তা বুঝতে শিখেছে। তাদের দাবি কেউ বাস্তবায়ন করেনি।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক—এটাই তাদের প্রত্যাশা। কিন্তু গত ৫৩ বছরে যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা কোনো প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। তিনি বলেন, “যে দলগুলো ক্ষমতায় গিয়েছিল, তারা নির্বাচনের আগে ইশতেহারে যত দফা দিয়েছিল, তার কোনোটাই বাস্তবায়ন করতে পারেনি। অথচ তারাই আবার ক্ষমতায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।” মুফতি ফয়জুল করীম আরও বলেন, “দক্ষিণ উত্থান হচ্ছে, আজকে মৌলবাদের উত্থান হচ্ছে। গতকাল দেখলাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্দিরে গিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। সেখানে তিনি ইসলামের ইঙ্গিত করে বর্তমান ইসলামী শাসনের বিষয়ে কথা বলেছেন। আমি বলব, ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে—এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। বরং না হলে সেটাই আশ্চর্যের।” তিনি আসন্ন নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির দাবি জানান। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুরের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। সমাবেশ শেষে একটি র‍্যালি বের করা হয়।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.