Saturday, August 23, 2025

আজ ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী, দ্বিপক্ষীয় আলোচনার জন্য প্রস্তুতি

পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার দুদিনের সরকারি সফরে আজ, শনিবার (২৩ আগস্ট, ২০২৫), ঢাকায় আসছেন। শুক্রবার (২২ আগস্ট) ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকালে ইসহাক দার অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। এরপর তিনি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠকগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের পূর্ণাঙ্গ বিষয় এবং বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। ঢাকার সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এই সফরে কূটনীতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য বিনা ভিসায় যাতায়াতের চুক্তি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন, দুই দেশের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা, ফরেন সার্ভিস একাডেমি এবং কৌশলগত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হবে। এ ছাড়া, পূর্বে সই হওয়া সাংস্কৃতিক সহযোগিতার চুক্তি নবায়ন করা হবে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা, স্বাধীনতা-পূর্ব অভিন্ন সম্পদে বাংলাদেশের অংশ হস্তান্তর এবং আটকেপড়া পাকিস্তানিদের ফেরত পাঠানোর বিষয়গুলো পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায় উঠে আসবে। ইসহাক দার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে। এর আগে ২০১২ সালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে হিনা রব্বানি খার সর্বশেষ বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। তিনি ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে ঢাকায় এসেছিলেন। গত বছরের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। উচ্চ পর্যায়ে বেশ কিছু অগ্রগতি হয়েছে, পাকিস্তানি পণ্যের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে সমুদ্রপথে সরাসরি বাণিজ্য শুরু হয়েছে।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.