Monday, August 4, 2025

মাদক সিন্ডিকেটের রুই-কাতলা এখনো ধরা পড়ছে না

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, গণমাধ্যমের সংবাদের মাধ্যমে ইয়াবা চালানকারীরা ধরা পড়লেও মাদক সিন্ডিকেটের বড় মাছ, যাদের তিনি "রুই-কাতলা" বলে উল্লেখ করেছেন, তারা এখনো ধরা পড়ছে না। তিনি বলেন, "পুটি আর টেংরা ধরা পড়ছে, কিন্তু রুই-কাতলা ধরা পড়ছে না। আমরা চাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের আইনের আওতায় আনতে।"

সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, "আজকের বৈঠকে দেশের সবকিছু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনা এবং ভবিষ্যতে কী ঘটতে পারে, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে মাদকের বিষয়ে আমরা বেশি জোর দিয়েছি, কারণ মাদক আমাদের দেশে একটি বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে।" সরকারের বিশেষ অভিযান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "বিশেষ অভিযান পুরো দেশব্যাপী চলছে এবং নির্বাচন পর্যন্ত চলবে। সমস্যা হলো, যে পরিমাণ অস্ত্র হারিয়ে গেছে, সেগুলো সব আমরা উদ্ধার করতে পারিনি। এগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে, কিন্তু আমাদের বাহিনী সীমিত। তারা একদিকে মনোযোগ দিলে অন্যদিকে অপরাধ বেড়ে যায়।" মব ভায়োলেন্স নিয়ে তিনি বলেন, "মব ভায়োলেন্স আগের তুলনায় কমেছে এবং ধীরে ধীরে আরও কমে যাবে। মবের ক্ষেত্রে আমরা কোনো ছাড় দিইনি।" নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "নির্বাচনে কে অংশ নেবে, কে নেবে না, সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় নয়। নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি, যার মধ্যে প্রশিক্ষণও রয়েছে।" কোনো দলকে বেশি সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, "আমরা সবাইকে সমান সুরক্ষা দিচ্ছি। তবে যারা বেশি ঝুঁকিতে আছে, তাদের একটু বেশি সুরক্ষা দেওয়া হয়, আর যারা কম ঝুঁকিতে, তাদের একটু কম। আপনারা (সাংবাদিকরা) ঝুঁকিতে নেই, তাই আপনাদের সুরক্ষার প্রয়োজন হয় না।"
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "এই বাহিনী দিয়েই নির্বাচন হবে। খুব ভালো নির্বাচন হবে এবং ভালোভাবে হবে।"

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.