ময়নসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক কিশোরীকে বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলাটি দায়ের করা হয়।
ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার একটি গ্রামে কিশোরীর বাড়িতে। মূল অভিযুক্ত ইয়াসিন মিয়া (২০) সহ মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক।
পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজনের সূত্রে জানা যায়, ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে ইয়াসিন প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন। বিয়ের প্রস্তাব দিলে কিশোরীর পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বুধবার রাতে ইয়াসিন বাড়ির উঠানে গিয়ে কিশোরীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। তার চিৎকারে পরিবার ও স্থানীয়রা ছুটে গেলে ইয়াসিন পালিয়ে যান। কিশোরীকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কিশোরীর ভাই প্রথম আলোকে বলেন, “ইয়াসিন আমার বোনকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু বাবা রাজি হননি। আমরা গরিব, আর ছেলের পরিবার প্রভাবশালী। এরপরও সে আমার বোনকে উত্ত্যক্ত করত। স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালে তার পরিবারকে নিষেধ করা হয়, কিন্তু সে বিয়ের প্রস্তাব দিতে থাকে।”
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.