হামলার ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর হাড্ডিপট্টি এলাকায়। আহত ডিবি সদস্যরা হলেন এএসআই হাসান আলী, কনস্টেবল মোদাসের হোসেন ও সজীব হোসেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন চকসূত্রাপুর হাড্ডিপট্টি এলাকার শামীম হোসেন (৬০), ইসরাফিল হোসেন (৪০), কবির হোসেন (১৮), বেহুলা বেগম (৩০) ও রুবি বেগম (৩০)।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বগুড়ার এক সাংবাদিক নেতার বাড়িতে চুরির ঘটনায় শাজাহানপুর থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় রংপুর থেকে গ্রেপ্তার এক আসামি আদালতে ১৪৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার নাম আসে চকসূত্রাপুর হাড্ডিপট্টি এলাকার মো. রনির (৩০)। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য ডিবির একটি দল গতকাল রাতে অভিযান চালায়। দলে ছিলেন এসআই স্বপন মিয়া, এসআই ফজলুল হক, এএসআই হাসান আলী, এএসআই গোলাম কিবরিয়া ও কয়েকজন কনস্টেবল।
ডিবি আরও জানায়, রনিকে আটকের পর পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী শাপলা খাতুন (রনির স্ত্রীর বড় বোন) ও তাঁর স্বামী আশিকের নেতৃত্বে ৬০ থেকে ৭০ জন লাঠি, রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ডিবি পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে এএসআই হাসান আলী, কনস্টেবল মোদাসের হোসেন ও সজীব হোসেন আহত হন।
ডিবির দাবি, হামলার সময় শাপলা খাতুন বঁটি দিয়ে হাসান আলীকে কোপানোর চেষ্টা করেন। মোদাসেরকে একইভাবে কোপাতে গেলে তিনি বাঁ হাত দিয়ে ঠেকিয়ে গুরুতর জখম হন। তাঁর কনুইয়ের নিচে কেটে যায়। সজীবকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে তাঁর পিঠের বাঁ পাশে ফোলা জখম হয়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), সদর থানার ওসি ও ডিবির ইনচার্জের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ইকবাল বাহার বলেন, শাপলার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের পাশাপাশি সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগে এক ডজন মামলা রয়েছে।