প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত ফুটবলার হিসেবে হলান্ড মৌসুম প্রতি ৪৪৫ কোটি ৬৯ লাখ ৬৭ হাজার টাকা উপার্জন করেন। এই উপার্জনের একটি অংশ তিনি ব্যয় করেছেন তাঁর সুপার কার সংগ্রহের পেছনে। তাঁর গ্যারেজে থাকা গাড়িগুলো যেকোনো ধনী গাড়ি সংগ্রাহকের সংগ্রহের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। তাঁর সর্বশেষ কেনা গাড়ি হলো ফোর্ড শেলবি এফ-১৫০ সুপার স্নেক স্পোর্ট, যার মূল্য ২ লাখ ইউরোর বেশি। এই গাড়িতে রয়েছে ৫ লিটার ভি৮ ইঞ্জিন, যা ০ থেকে ৬০ মাইল গতিতে মাত্র ৩.৪ সেকেন্ডে পৌঁছায়। সাধারণত ফুটবলারদের অনুশীলন শেষে এমন গাড়িতে চড়তে দেখা যায় না, কিন্তু হলান্ড গাড়ি নিয়ে কোনো লুকোছাপা করেন না। মাঠের মতোই মাঠের বাইরেও তিনি সবার আগ্রহের কেন্দ্রে থাকতে চান।
গত সপ্তাহে ম্যানচেস্টার সিটির প্রশিক্ষণ মাঠে হলান্ড তাঁর চোখধাঁধানো নতুন গাড়ি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। *মার্কা* জানায়, গত জানুয়ারিতে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চুক্তি সই করার পর হলান্ডের গাড়ির নেশা আরও বেড়েছে। তাঁর গ্যারেজে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে কমলা রঙের পোর্শে ৯১১ জিটি৩ (প্রায় ২ লাখ ইউরো), হলুদ ফেরারি ৮১২ সুপারফাস্ট কনভার্টিবল (প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার ইউরো) এবং অ্যাস্টন মার্টিন ডিবিএক্স ৪x৪ (প্রায় ৪ লাখ ইউরো)। তবে তাঁর সংগ্রহের সেরা গাড়ি হলো বুগাতি ট্যুরবিলন, যার মূল্য ৫০ লাখ ইউরোরও বেশি। এই বিশেষ মডেলের মাত্র ২৫০টি ইউনিট তৈরি হয়েছে। ১ হাজার ৮০০ অশ্বশক্তির হাইব্রিড ভি১৬ ইঞ্জিনের এই গাড়ি ০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গতিতে মাত্র ২ সেকেন্ডে এবং ২০০ কিলোমিটার গতিতে ৫ সেকেন্ডে পৌঁছায়।
গাড়ির পাশাপাশি হলান্ডের নজর এখন নতুন মৌসুমের দিকেও। গত মৌসমে কোনো শিরোপা না জিততে পারায় এবার হলান্ডের ওপর প্রত্যাশার চাপ অনেক। তাঁর সংগ্রহে থাকা গাড়ির মতোই মাঠে নিজের পারফরম্যান্সকে ক্ষুরধার ও গতিময় রাখতে পারলে ম্যানচেস্টার সিটি নতুন মৌসুমে সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে পারবে। আগামীকাল শনিবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে উলভসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে হলান্ডের দল ম্যানচেস্টার সিটি।