Saturday, August 9, 2025

সাংবাদিক তুহিন হত্যা মামলায় আরো দুজন গ্রেফতার



গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের নৃশংস হত্যার ঘটনায় জড়িত আরো দুজনকে গ্রেফতার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কুমিল্লার হোমনা থানার অনন্তপুর এলাকার হানিফ মিয়ার ছেলে শাহজালাল (২৫) এবং পাবনা জেলার পাঁচবাড়িয়া এলাকার কিয়ামুদ্দিন হাসানের ছেলে মো: ফয়সাল হাসান (২৩)। এর আগে, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে এক নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) উত্তরের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) রবিউল ইসলাম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এডিসি রবিউল ইসলাম জানান, সাংবাদিক তুহিন হত্যার ঘটনায় এর আগে মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর থেকে ফয়সাল ওরফে কেটু মিজান, তার স্ত্রী গোলাপী এবং সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। রাজধানীর উত্তরার তুরাগ এলাকা থেকে আল আমিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়া, গাজীপুর সদর উপজেলার হোতাপাড়া এলাকা থেকে স্বাধীন নামে আরেকজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে গোলাপী নামে এক নারী রয়েছেন, যিনি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছেন এবং যাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটে। ফয়সাল ওরফে কেটু মিজান, তার স্বামী, ফুটেজে চাপাতি হাতে দৌড়াতে দেখা গেছে। আরেকজন স্বাধীন, যাকে সাদা শার্ট ও জিন্স পরা অবস্থায় চাপাতি হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া আল আমিন ও সুমন নামে আরো দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার রাতে র‌্যাব-১ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) তাহেরুল হক চৌহান বলেন, “সাংবাদিক তুহিন হত্যার পর থেকে পুলিশের একাধিক টিম এই বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে কাজ করছিল। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের পর আসামিদের শনাক্ত করা এবং তাদের অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।” তিনি আরো বলেন, “তদন্তের স্বার্থে এখনই অনেক কিছু বলা সম্ভব নয়। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করি, জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।”

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.