Saturday, August 30, 2025

কুমিল্লায় ‘আলাদা ব্যালট ছাপানো’ নিয়ে যুবদল নেতার ভিডিও ভাইরাল

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবুল খায়েরের একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘প্রয়োজনে আলাদা ব্যালট ছাপাব, যে ব্যালটে ধানের শীষ থাকবে।’ তিনি পরে দাবি করেন, অন্য এক রাজনৈতিক নেতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি এ কথা বলেছেন।

এই বক্তব্যটি চান্দিনা উপজেলার গল্লাই ইউনিয়ন বিএনপির একটি কর্মী সমাবেশে দেওয়া হয়েছিল, যা ১৬ আগস্ট কংগাই উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। আবুল খায়ের সেখানে বিশেষ অতিথি ছিলেন। তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যের মধ্যে ১০ সেকেন্ডের একটি অংশ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল ভিডিওতে আবুল খায়ের বলেন, ‘ব্যালট পেপার ছাপা যখন হবে, তখন দেখব। প্রয়োজনে আলাদা ব্যালট ছাপাবো, যে ব্যালটে ধানের শীষ থাকবে। ধানের শীষ থাকবে চান্দিনায়।’ আলাদা ব্যালট ছাপানোর মতো বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রথম আলোর সঙ্গে শুক্রবার রাতে কথা বলতে গিয়ে আবুল খায়ের বলেন, ‘আমার বক্তব্যের এক দিন আগে এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ একটি বক্তৃতায় বলেছিলেন, তিনি ছাতা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করবেন এবং চান্দিনার ব্যালটে ধানের শীষ থাকবে না। যেহেতু এখনো জোট ভাগাভাগি হয়নি বা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি, তাই তাঁর এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমি এ কথা বলেছি।’ আবুল খায়েরের দাবি, তিনি সারা দেশের ব্যালট নিয়ে কথা বলেননি, শুধু চান্দিনার কথা বলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল তাঁর বক্তব্যের আগে-পরের অংশ কেটে শুধু ১০ সেকেন্ডের ক্লিপ ছড়িয়ে দিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। যাঁরা পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য শুনেছেন, তাঁরা বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর ব্যক্তিগত বক্তব্যের কারণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, ‘ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া খণ্ডিত বক্তব্যটি শুনেছি। আবুল খায়ের জানিয়েছেন, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদের বক্তব্যের সূত্র ধরে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে এমন কথা বলেছেন। শুক্রবার রাতে তিনি ফেসবুক লাইভে এসে বক্তব্যটির পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।’

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.