Wednesday, August 20, 2025

আমরা ভালো আছি,’ দাম্পত্যজীবন নিয়ে গুঞ্জন প্রসঙ্গে জাহিদ হাসান

দেশের শোবিজাঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান এবং প্রখ্যাত মডেল, নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ ১৯৯৭ সালে প্রেমের বন্ধনে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে রয়েছে দুই সন্তান। বিয়ের পর এক ছাদের নিচে ২৭ বছর কাটিয়ে দিয়েছেন তারা। এই দীর্ঘ সময়ে তারা একে অপরের পাশে ছায়ার মতো থেকেছেন এবং নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও হাত ছাড়েননি।

তবে সম্প্রতি এই তারকা দম্পতির ব্যস্ততা বেড়েছে। ফলে তাদের একসঙ্গে কোনো অনুষ্ঠান বা আয়োজনে তেমন দেখা যায় না। এ নিয়ে একটি পডকাস্টে প্রশ্নের মুখে পড়েন জাহিদ হাসান। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তাদের দাম্পত্যজীবনে কোনো দূরত্ব এসেছে কি না?

জবাবে জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। যদিও একসঙ্গে কোথাও যাই না। কারণ আমার শুটিং থাকে রাত পর্যন্ত। এত বছর ধরে শুটিংয়ের কারণে একত্রে কোথাও যেতে পারিনি। যারা মন্তব্য করে, তারা হয়তো জানে না, আমার নিজের ভাইয়ের বিয়েতেও আমি যেতে পারিনি। সেদিন বরিশালে *বিচ্ছু* নাটকের শো ছিল। আমার জীবন এভাবেই শুরু হয়েছে। শুটিংয়ের শিডিউল আগে থেকে নির্ধারিত থাকে। হঠাৎ কোনো দাওয়াত এলে সেখানে যাওয়া যায় না। আর এখন কোনো ক্লাবে গেলে আড্ডা ছেড়ে আসতে ইচ্ছা করে না। তাই মৌ একাই অনুষ্ঠানে যায়। সে দেশে না থাকলে আমি যাওয়ার চেষ্টা করি।’ এই পডকাস্টে জাহিদ হাসান তার সাবেক প্রেমিকার প্রসঙ্গও তুলে আনেন। তিনি জানান, মৌ তার আগের সম্পর্কের কথা জানেন এবং এ নিয়ে মাঝে মাঝে মজা করেন। তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারের সবাই আমার আগের সম্পর্কের কথা জানে। মৌ মাঝে মাঝে এটা নিয়ে মজা করে। আমাকে লেগপুলিং করে। একদিন হঠাৎ বলল, এগুলো এভাবে ফেলে রাখো কেন, যত্ন করে রাখো। দেখি, তার হাতে অনেকগুলো চিঠি।’ মৌয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে জাহিদ হাসানের এক অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। তারা একসঙ্গে বেশ কিছু নাটকে কাজ করেছেন। সেই সম্পর্কের চিঠি এখনো তিনি বাড়িতে যত্ন করে রেখেছেন। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর তারা আর একত্রে কাজ করেননি। এমনকি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা হলেও তারা কথা বলেন না। জাহিদ হাসান এখন তার সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে চান না।
তিনি বলেন, ‘তাকে নিয়ে কিছু বললে অশ্রদ্ধা করা হয়। সেটা করতে চাই না। আমি তাকে একসময় ভালোবেসেছিলাম। আমার মতো সেও খুব ভালো আছে। এটাই বড় কথা।’

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.