Tuesday, September 2, 2025

আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি চাই, অধীনতা নয়: মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট

মাদক বাণিজ্য ও অবৈধ অভিভাসন রোধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি করতে আগ্রহী মেক্সিকো, তবে কোনোভাবেই অধীনতা স্বীকার করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবাউম। গত সোমবার তিনি এই ঘোষণা দেন।

সোমবার মেক্সিকো সিটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিনবাউম বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে এবং এমনকি নিরাপত্তা চুক্তি করতেও প্রস্তুত। তবে এই সমঝোতা বা চুক্তির ভিত্তি হতে হবে দায়িত্বশীলতা, পরস্পরের প্রতি আস্থা, উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতি সম্মান এবং কোনো প্রকার অধীনতা ছাড়া সহযোগিতামূলক সম্পর্ক। আমরা চুক্তি চাই, অধীনতা নয়।”

যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো উভয়ই উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দেশ। মেক্সিকোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল ও জলসীমান্ত রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে এই সীমান্ত দিয়ে মাদক ও নথিবিহীন অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস এক প্রতিবেদনে জানায়, মেক্সিকো থেকে মাদক ও অবৈধ অভিবাসীদের প্রবাহ ঠেকাতে দেশটির অভ্যন্তরে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর মেক্সিকোর সরকার, বিরোধী দল এবং বিভিন্ন মহল স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ। এমন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট শিনবাউম এই ঘোষণা দেন। আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও মেক্সিকো সফরে আসবেন। সোমবারের ভাষণে শিনবাউম জানান, রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে প্রস্তাবিত নিরাপত্তা চুক্তির বিষয়টি তিনি উত্থাপন করবেন। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন যে মেক্সিকোর সরকার মাদক ব্যবসায়ী ও মানবপাচারকারীদের দমনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। মেক্সিকোর এই ‘উদাসীনতার’ জন্য দেশটির ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
সাবেক জলবায়ু বিজ্ঞানী ক্লডিয়া শিনবাউম ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে মেক্সিকোর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.