Thursday, May 15, 2025

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ‘শাটডাউন’

ক্যাম্পাস, ১৫ মে, ২০২৫ : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইস উদ্দিন তিন দফা দাবি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ‘শাটডাউন’ ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) কাকরাইলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন।  

ড. রইস উদ্দিন বলেন, “আমাদের তিন দফা দাবির সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিচারের দাবি যুক্ত হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ক্যাম্পাসে ফিরব না, ক্যাম্পাস শাটডাউন থাকবে।”
বুধবার (১৪ মে) সকালে ‘লং মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি নিয়ে কয়েকশ শিক্ষার্থী প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের দিকে যাত্রা করে। পথে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায় তারা। কিন্তু কাকরাইল মোড়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩৮ জন আহত হন।
রাত ১০টার দিকে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ঘটনাস্থলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে যান। এ সময় এক ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী তার ওপর বোতল ছুড়ে মারে। মাহফুজ আশ্বাস দিয়ে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে দাবি সমাধানের চেষ্টা করবেন। তবে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থামায়নি। গভীর রাতেও কাকরাইলের রাস্তায় অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যান তারা।
জানা গেছে, গত সোমবার ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি ও শিক্ষক সমিতি ইউজিসি’র সঙ্গে বৈঠক করে। বাজেট বৃদ্ধি ও আবাসন সংকট নিরসন নিয়ে আলোচনা হলেও দাবি পূরণ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ইউজিসি দায়সারা আশ্বাস দিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দাবি:
১. আবাসন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ৭০% শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি।
২. ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ বাজেট অনুমোদন।
৩. দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন ও অগ্রাধিকার প্রকল্পে বাস্তবায়ন।
৪. শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিচার।
এ.আই/এম.আর

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.