Saturday, June 21, 2025

ইউআইইউ শিক্ষার্থীদের ব্লকেড: ভাটারা থানায় আলোচনা ব্যর্থ, আন্দোলন অব্যাহত

ঢাকা, ২১ জুন ২০২৫: ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) ২৬ জন শিক্ষার্থীর অবৈধ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং তাদের পাঁচ দফা দাবি পূরণের দাবিতে চলমান ব্লকেড ও অবস্থান কর্মসূচির সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে শনিবার বিকেলে ভাটারা থানার ওসির কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে, এই আলোচনা কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে, এবং শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন।

বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত চলা এই সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউআইইউ’র শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগামীকাল (২২ জুন) সকাল ১০টার মধ্যে তাদের সিদ্ধান্ত জানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত করার অনুরোধ জানায়। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দাবি করে আলোচনা টেবিল ত্যাগ করে রাস্তায় আন্দোলনরত সহপাঠীদের সঙ্গে যোগ দেন। ফলে কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্রাইম শাখার ডিআইজি নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি শহিদুল্লাহ, গুশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার তারেক মাহমুদ, উপ-পুলিশ কমিশনার মিজানুর রহমান, ভাটারা থানার ওসি রাকিবুল হাসান, বাড্ডা থানার ওসি সাইফুল ইসলাম। ইউআইইউ’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালাউদ্দিন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক জুলফিকার আলী, প্রক্টর রুমানা বেগম এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মোঃ ফাহিমসহ ৮-১০ জন শিক্ষার্থী।
প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল থেকে ইউআইইউ’র শিক্ষার্থীরা রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে তাদের দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন শুরু করে। বেলা ১১টার দিকে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে, যাতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন এবং কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপরও শিক্ষার্থীরা পুনরায় একত্রিত হয়ে ব্লকেড অব্যাহত রাখেন।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এদিকে, আগামীকাল রোববার শিক্ষার্থীরা ‘ঢাকা ব্লকেড’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন।

এ.আই/এম.আর

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.