Saturday, July 26, 2025

আগস্টে নেপাল বা নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে সিরিজ খেলতে পারে বাংলাদেশ

পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টানা দুটি সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখন এশিয়া কাপের প্রস্তুতির জন্য তাদের ছন্দ ধরে রাখার পরিকল্পনা করছে। এখনো প্রায় দেড় মাস বাকি থাকলেও বাংলাদেশের এই মুহূর্তে কোনো সিরিজ নেই। টানা ম্যাচ খেলার ধকল সামলাতে ক্রিকেটাররা প্রথম ১০-১২ দিন বিশ্রামে কাটাবেন। তবে এত দীর্ঘ বিরতি তাদের সাম্প্রতিক সাফল্যের ছন্দে বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর অধিনায়ক লিটন দাস বলেছিলেন, একটি সিরিজ আয়োজন করা গেলে তাঁদের জন্য ভালো হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমূল আবেদীন গতকাল প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, তারা একটি সিরিজ আয়োজনের চেষ্টা করছেন। তখন তিনি কোনো দলের নাম উল্লেখ করেননি। তবে আজ মিরপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নাজমূল সম্ভাব্য দুটি দলের নাম উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বড় কোনো দেশ এ মুহূর্তে পাওয়া যাবে না। কারণ, তারা তাদের প্রোগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত আছে। আমাদের মনে হয় অন্য কোনো দেশের সঙ্গে এটা হতে পারে। নেদারল্যান্ডস ও নেপাল হতে পারে কিংবা এমন কোনো দেশ হতে পারে। এ মুহূর্তে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’ আগস্টে ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। তবে ভারত সরকারের সবুজসংকেত না পাওয়ায় সিরিজটি পিছিয়ে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে নেওয়া হয়েছে। এই ফাঁকা সময়ে বিসিবি ঘরের মাঠে সিরিজ আয়োজনের ভাবনা করছে। নাজমূল আবেদীন বলেন, ‘সেটাই হয়তো আমরা চেষ্টা করব। যদি সম্ভব হয়, সেটাই চেষ্টা করব।’ বিদেশি কোনো দল না পাওয়া গেলে জাতীয় দল বাংলাদেশ ‘এ’ দল বা হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের সঙ্গে সিরিজ খেলতে পারে। এছাড়া তিন সপ্তাহের একটি প্রস্তুতি ক্যাম্পও করবে তারা।
এশিয়া কাপের সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে এসিসি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই টুর্নামেন্ট হবে। বাংলাদেশসহ আটটি দল এতে অংশ নেবে।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.