Saturday, July 26, 2025

কোচ হতে আবেদনই করেননি জাভি, ‘ভুয়া’ ইমেইল পেয়েছে ভারত

রাতারাতি খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, বার্সেলোনা ও স্পেনের কিংবদন্তি ফুটবলার জাভি হার্নান্দেজ ভারতের জাতীয় ফুটবল দলের কোচের পদে আবেদন করেছিলেন। তবে, অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিবেচনায় সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) নাকি তার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। এই খবর শুধু ভারতীয় ফুটবলেই নয়, বিশ্ব ফুটবলেও হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু সত্যিই কি তাই? এখন জানা যাচ্ছে, ভারতীয় ফেডারেশন একটি ভুয়া ইমেইল পেয়েছিল।

এর আগে ভারতীয় দলের ফুটবল ডিরেক্টর সুব্রত পাল *টাইমস অব ইন্ডিয়া*কে বলেছিলেন, “প্রার্থীদের তালিকায় জাভির নামও ছিল। আবেদনটি এআইএফএফ-কে ইমেইল করা হয়েছিল।” ওই প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছিল যে, জাভি তার নিজের ইমেইল আইডি থেকে আবেদনটি পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু অন্যান্য সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত আবেদনের মতো, তার যোগাযোগ নম্বরের জায়গাটি খালি ছিল। পরে এআইএফএফের টেকনিক্যাল কমিটির এক সদস্য বলেন, “জাভি আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। হয়তো তাকে রাজি করানো যেত। কিন্তু জাতীয় দলের কোচ হিসেবে তাকে আনতে যে খরচ হতো, তা সামলানো কঠিন ছিল।”

তবে, বাস্তব ঘটনা ভিন্ন। প্রখ্যাত ইতালীয় ক্রীড়া সাংবাদিক ফাব্রিজিও রোমানো স্পষ্ট করেছেন, “ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে জাভির কোনও কথাই হয়নি।” তাহলে এই বিশৃঙ্খলার সূত্রপাত কোথায়? জানা যাচ্ছে, জাভির নাম ব্যবহার করে ফেডারেশনকে প্রতারণা করতে একটি ‘ভুয়া’ ইমেইল পাঠানো হয়েছিল। এর আগেও এআইএফএফের কাছে ম্যানচেস্টার সিটি ম্যানেজার পেপ গার্দিওলার নামে একটি আবেদন জমা পড়েছিল, যা পরে প্রতারণামূলক বলে প্রমাণিত হয়। এআইএফএফের কারিগরি কমিটি জানিয়েছে, পুরুষ জাতীয় দলের প্রধান কোচের পদের জন্য ১৭০টি আবেদন পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে ১০ জনকে বাছাই করে অবশেষে তিনজনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
এদিকে, ভারতের বাইরের ফুটবল ভক্তরা বলছেন, জাভির নাম ব্যবহার করে এআইএফএফ নিজেদের ‘মর্যাদা’ বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। ঘটনা যাই হোক, এ নিয়ে সমালোচনা থামছে না। এই ঘটনা ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.