ঢাকা থেকে ভুল ট্রেনে চড়ে টাঙ্গাইল এসে এক যুবতী (২২) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। শুক্রবার (২৫ জুলাই ২০২৫) মধ্যরাতে টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেলস্টেশনের পাশে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। তারা সবাই পেশায় সিএনজিচালক।গ্রেফতারকৃতরা হলেন—টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ব্রাহ্মণকুশিয়া সুতার পাড়া গ্রামের সেন্টু চন্দ্র দাশের ছেলে দুলাল চন্দ্র দাশ (২৮), আব্দুল হালিম খানের ছেলে সজিব খান (১৯) এবং মৃত কিসমত মিয়ার ছেলে রুপু মিয়া (২৭)।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী যুবতীর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাছিরনগরে। তিনি একটি কাজে ঢাকায় এসেছিলেন। শুক্রবার রাতে নাছিরনগর ফেরার জন্য ঢাকার বিমানবন্দর রেলস্টেশনে আসেন। সেখান থেকে ভুল করে উত্তরবঙ্গগামী দ্রুতযান এক্সপ্রেসে উঠে ঘুমিয়ে পড়েন। হঠাৎ ঘুম ভাঙার পর অন্য যাত্রীদের কাছে জানতে পারেন তিনি ভুল ট্রেনে উঠেছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেলস্টেশনে নামেন এবং জিআরপি পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশের এক সদস্য স্থানীয় সিএনজিচালক দুলালকে তাকে ঢাকার ট্রেনে উঠিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এদিকে, কালিহাতী উপজেলার সল্লায় একটি দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে চলে যায়। এই সুযোগে দুলাল ও তার সহযোগী রুপু এবং সজিব ওই যুবতীকে ফুসলিয়ে স্টেশনের পাশে কাঠবাগানে নিয়ে যায়, যেখানে দুলাল তাকে ধর্ষণ করে। পরে তারা তাকে ব্রাহ্মণকুশিয়া গ্রামে রুপু মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়, যেখানে রুপু এবং সজিব তাকে ধর্ষণ করে।
পুলিশ আরও জানায়, রাত আড়াইটার দিকে অভিযুক্তরা যুবতীকে রেলস্টেশনে রেখে পালিয়ে যায়। তখন তিনি রেলস্টেশন পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে ধর্ষণের বিষয়টি জানান। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর থানায় অবগত করে। শনিবার সকালে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে তাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। ভুক্তভোগী যুবতী টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ঘারিন্দা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হারুন উর রশীদ বলেন, “বিষয়টি জানার পর আমরা থানা পুলিশকে অবগত করি এবং আমাদের সহযোগিতায় তারা তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।”
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানবীর আহমেদ বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। আসামিদের গ্রেফতার করে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, ধর্ষণের শিকার যুবতীকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
Saturday, July 26, 2025
Author: DhakaGate Desk
Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.
এ সম্পর্কিত আরও খবর
- ফেইসবুক মন্তব্য