বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-২০ দলের ৫-০ গোলে শ্রীলঙ্কা বিধ্বস্ত, শিরোপা ধরে রাখতে এক ধাপ বাকি
শনিবার বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ফুটবল প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ গোলে পরাজিত করেছে। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ এখন শিরোপা ধরে রাখার এক ধাপ দূরে। সোমবার নেপালের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে ন্যূনতম ড্র করলেই তারা চ্যাম্পিয়নশিপ জিতবে।প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৯-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ফিরতি ম্যাচে কোচ পিটার বাটলার ১৬ জন ফুটবলার ব্যবহার করে দলের গভীরতা ও বহুমুখিতা প্রদর্শন করেন। দলের শক্তিশালী পাইপলাইনের প্রমাণ হিসেবে বাটলার পাঁচ ম্যাচে তিনজন ভিন্ন অধিনায়ক এবং স্কোয়াডের ২৩ জন খেলোয়াড়কেই মাঠে নামান। এই ম্যাচে গোলরক্ষক ফেরদৌসি আক্তার সোনালী মূল একাদশে সুযোগ পান, যার ফলে এই আসরে তিন গোলরক্ষকই খেলার সুযোগ পেয়েছেন। পরিবর্তিত একাদশ নিয়েও বাংলাদেশ প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে যায়। ২৫ মিনিটে মিডফিল্ডার কানন রানী বাহাদুর বক্সের জটলা থেকে মাটিঘেঁষা শটে গোল করে আসরে নিজের প্রথম গোলটি করেন। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে পুজা দাস তৃষ্ণা রানীর শট থেকে ফিরে আসা বলে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। বিরতির পর কোচ চারজন খেলোয়াড় বদল করেন, মূল অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি, উমেলা মারমা, মুনকি আক্তার ও স্বপ্না রানী মন্ডলকে মাঠে নামান। এতে দলের শক্তি ও ম্যাচে দাপট বাড়ে। ৫৪ মিনিটে পুজা দাস ২০ গজ দূর থেকে দূরপাল্লার শটে গোল করে স্কোর ৩-০ করেন। ৮৬ মিনিটে তৃষ্ণা রানী একক প্রচেষ্টায় ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে আসরে নিজের চতুর্থ গোল করেন। ইনজুরি টাইমে আফঈদা খন্দকার প্রান্তি পেনাল্টি থেকে পঞ্চম গোল করেন, যদিও তার প্রথম শট বাতিল হওয়ায় ফিরতি শটে তিনি গোল করেন। শিরোপা ধরে রাখতে বাংলাদেশের নেপালের বিপক্ষে কমপক্ষে ড্র প্রয়োজন। তবে নেপাল যদি এক গোলের ব্যবধানে জিতে, তাহলে তারা গোল পার্থক্যে (৩০ গোলের বিপরীতে বাংলাদেশের ২৪) চ্যাম্পিয়ন হবে।