সোমবার (৩০ জুন ২০২৫) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর হাতিরপুল এলাকায় গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে দলটি তাৎক্ষণিকভাবে হাতিরপুল কার্যালয় থেকে কাঁচাবাজার হয়ে কাটাবন মোড় পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে।
মিছিল শেষে গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকীর প্রাক্কালে গণসংহতির কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থান বিরোধী শক্তি ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “জনগণ এতে মোটেই শঙ্কিত নয়। পতিত আওয়ামী লীগ জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ব্যর্থ করতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এই ককটেল বিস্ফোরণ দেশকে আতঙ্কিত করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত।” তিনি এই হামলাকে জুলাই অভ্যুত্থানের বার্ষিকীর সঙ্গে সম্পৃক্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশিত বিচার ও আইনশৃঙ্খলার অগ্রগতি এখনও পূরণ হয়নি। তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়।
রুবেল জোর দিয়ে বলেন, শত শত ছাত্র-জনতার জীবন ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই অভ্যুত্থান ব্যর্থ হতে পারে না। “নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত, বিচার, সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রূপান্তর না ঘটলে শহীদদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হবে এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র বিপর্যয়ের মুখে পড়বে,” তিনি সতর্ক করেন। তিনি সরকারের কাছে ককটেল বিস্ফোরণকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচারের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান এবং বলেন, জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে গণঅভ্যুত্থান বিরোধী সকল তৎপরতা প্রতিহত করবে।
বিক্ষোভ মিছিলে দলটির রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য তাসলিমা আখতার, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, দীপক কুমার রায়, কেন্দ্রীয় সদস্য আলীফ দেওয়ান, অপরাজিতা চন্দ, ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ এবং ঢাকা মহানগর ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি আলামিন রহমানসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
