জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুরে একটি সংসদীয় আসন বাড়ানো এবং বাগেরহাটে একটি আসন কমানোর প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের খসড়া ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।
বর্তমানে বাগেরহাটে চারটি এবং গাজীপুরে পাঁচটি সংসদীয় আসন রয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, বাগেরহাটে আসন কমে তিনটি এবং গাজীপুরে বেড়ে ছয়টি হবে। বিশেষায়িত কারিগরি কমিটির প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের পর এ প্রস্তাব জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, বিশেষায়িত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলার মোট ভোটার ও জনসংখ্যা বিশ্লেষণ করে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, সারা দেশের ৩৯ থেকে ৪২টি আসনের সীমানায় ছোটখাটো পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আড়াই শতাধিক আসনের সীমানা অপরিবর্তিত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ৬৪ জেলার গড় ভোটার নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৫০০ জন। এই গড়ের ভিত্তিতে গাজীপুরে একটি আসন বাড়ালে এবং বাগেরহাটে একটি কমালে সমতা আসবে। অন্যান্য জেলায় আসন বাড়ানো বা কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
যেসব সংসদীয় আসনের সীমানা সমন্বয় বা পরিবর্তন করা হবে, সেগুলোর নাম উল্লেখ করে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এই প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং কমিশন এটি অনুমোদন করেছে। সীমানার খসড়া নিয়ে কোনো আপত্তি থাকলে ১০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আপত্তি ও দাবির শুনানি শেষে চূড়ান্ত সীমানার গেজেট প্রকাশ করা হবে।
তিনি আরও জানান, ২০২২ সালের জনশুমারির তথ্যে কাজ করতে গিয়ে কারিগরি কমিটি কিছু অসামঞ্জস্য পেয়েছে। নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ ভোটার তালিকার ভিত্তিতে ২০ হাজার ৫০০ কমবেশি গড় ভোটারের ভিত্তিতে গ্রেডিং তৈরি করে জেলাভিত্তিক ভোটার সংখ্যা পর্যালোচনা করা হয়েছে। এক থেকে তিন আসনবিশিষ্ট জেলাগুলোকে আসন বাড়ানো-কমানোর ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
**সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রস্তাবিত আসনসমূহ:**
পঞ্চগড়-১, ২; রংপুর-৩; সিরাজগঞ্জ-১, ২; সাতক্ষীরা-৩, ৪; খুলনা-১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬; শরীয়তপুর-২, ৩; ঢাকা-২, ৩, ৭, ১০, ১৪, ১৯; গাজীপুর-১, ২, ৩, ৫, ৬; নারায়ণগঞ্জ-৪, ৫; সিলেট-১, ৩; ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ৩; কুমিল্লা-১, ২, ১০, ১১; নোয়াখালী-১, ২, ৪, ৫ এবং চট্টগ্রাম-৭, ৮।
নির্বাচন কমিশন জানায়, সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে এ পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার আবেদন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৪২টি আসনে ছোট-বড় সংশোধন ও সমন্বয়ের প্রস্তাব করেছে কারিগরি কমিটি।
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.