গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) উপজেলা শাখার সদস্য এইচএম আবুল বাশারকে (বাচ্চু) দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ আগস্ট) জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিকুজ্জামান ও ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল বাশার খায়ের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জানা গেছে, কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য এইচএম আবুল বাশার বাচ্চুসহ কয়েকজন মিলে একটি প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে মঙ্গলবার দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি মিজানুর রহমান বুলু ও যুগান্তর প্রতিনিধি এইচএম মেহেদী হাসনাতের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের আহত করে। বিষয়টি জেলা ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের দৃষ্টিতে এলে তারা বাচ্চুকে বহিষ্কার করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সিদ্ধান্ত মোতাবেক দলীয় নীতি ও আদর্শের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে সংগঠনবিরোধী কাজ করেছেন বিধায় এইচএম আবুল বাশার বাচ্চুকে গোপালগঞ্জ জেলাধীন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।”
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের এইচএম আবুল বাশার বাচ্চুর সঙ্গে কোনোরূপ সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বিএনপির সদস্য এইচএম আবুল বাশার বাচ্চুকে দল থেকে বহিষ্কার করায় কোটালীপাড়া উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের তিন দিনের অবস্থান ও কলম বিরতির কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিকুজ্জামান বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়ে এইচএম আবুল বাশার বাচ্চু দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। কোনোভাবেই শৃঙ্খলাভঙ্গকারীকে দলে রাখা যাবে না। তাই আমরা তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করেছি।”
প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও যুগান্তরের প্রতিনিধি এইচএম মেহেদী হাসনাত বলেন, “আমাদের দাবি ছিল বিএনপি এইচএম আবুল বাশার হাওলাদার বাচ্চুর বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেবে। দল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। তাই আমাদের তিন দিন এক ঘণ্টা করে (বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা) অবস্থান কর্মসূচি ও কলম বিরতি পালনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছি।”
কোটালীপাড়া থানার ওসি খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.