পাবনায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে যুবদল নেতা মেহেদী মাসুদ ওরফে পাভেল (৫০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সজীব মোল্লা (৪০) নামে আরেকজন আহত হয়েছেন। তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫, রাতে পাবনা সদরের গয়েশপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে। নিহত মেহেদী মাসুদ ওই গ্রামের মৃত মুসলেম উদ্দিনের ছেলে এবং গয়েশপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পাবনা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াস আহম্মেদ নিহত ব্যক্তির দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করে বলেন, মেহেদী মাসুদ দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা ছিলেন। তিনি এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেন এবং দলীয়ভাবে নিজের অবস্থানে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি ধারণা করেন, এসব কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ইলিয়াস আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, “আমরা এই হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।”[](https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/p5kh3swc57)
স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মেহেদী মাসুদ মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, যার ফলে গ্রামের একটি পক্ষের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শনিবার রাত ১০টার দিকে প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা মেহেদী ও সজীবের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মেহেদীকে মৃত ঘোষণা করেন। সজীবের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মাদ্রাসার কমিটি গঠনে নেতৃত্ব দেওয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে একটি পক্ষ তার ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। এই পূর্ব বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলছে।[](https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/p5kh3swc57)
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.