এই সফরটি বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকার পর দিল্লি সম্ভবত চীনের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতকে জরুরি মনে করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর চীন, রাশিয়া ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শীতল হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তিন দেশের শীর্ষ নেতাদের এই বৈঠক নতুন দিশা দেখাতে পারে।
সম্প্রতি কাশ্মীরের পেহেলগাম হামলাকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনায় চীনের পাকিস্তানের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন সত্ত্বেও, এসসিও সম্মেলনে ভারতের অংশগ্রহণকে অনেকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সম্মেলনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ এবং বাণিজ্য ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। ভারত-চীন সম্পর্ককে স্থিতিশীল ও সংলাপমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সম্মেলনের ফাঁকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদির অপ্রাতিষ্ঠানিক বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার কাজানে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে মোদি ও শি জিনপিং সাক্ষাৎ করেছিলেন। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে নতুন করে উদ্যোগ জোরদার হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যেই চীন সফরের ঘোষণা মোদির, আসবেন পুতিনও
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছয় বছর পর চীন সফরে যাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই এই সফরের ঘোষণা এসেছে। মোদির বেইজিং সফরের সময়েই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও চীনে আসবেন, যা এই সফরকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনের তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনে অংশ নিতে মোদি চীন সফরে যাবেন। ২০২০ সালে হিমালয় অঞ্চলে ভারত-চীন সেনা সংঘর্ষের পর এটি তার প্রথম চীন সফর। এর আগে তিনি সর্বশেষ ২০১৯ সালে চীন সফর করেছিলেন।